Education

#মৃত্যুর_পূর্বে__৪_জন_ফেরেস্তা_যেভাবে_জানিয়ে_দেয়_মৃত্যুর_আগাম_সংবাদ…………………………..
………………………………….

 
হাদীস শরীফে বর্ণিত
আছে, যখন মানুষের
অন্তিমকাল উপস্থিত
হয় এবং রূহ বের হবার
সময়
ঘনিয়ে আসে, তখন
চারজন ফেরেশতা তার
কাছে উপস্থিত হয়।

সর্বপ্রথম এক
ফেরেশতা
উপস্থিত হয়ে বলবেন
“আসসালামু
আলাইকুম” হে
অমুক! আমি তোমার
খাদ্য সংস্থানের কাজে
নিযুক্ত ছিলাম।
কিন্তু এখন পৃথিবীর
পূর্ব থেক
পশ্চিম প্রান্ত
পর্যন্ত অন্বেষণ
করেও তোমার
জন্য এক দানা খাদ্য
সংগ্রহ করতে পারলাম
না। সুতরাং
বুঝলাম তোমার মৃত্যু
ঘনিয়ে এসেছে হয়ত
এখনই তোমাকে মরণ
সুধা পান করতে হবে।
পৃথিবীতে তুমি আর
বেশীক্ষণ থাকবে না।

অত:পর দ্বিতীয়
ফেরেশতা এসে সালাম
করে
বলবেন হে আল্লাহর
বান্দা! আমি তোমার
পানীয়
সরবরাহের জন্য
নিযুক্ত ছিলাম,
কিন্তু এখন তোমার
জন্য পৃথিবীর সবৃত্র
অন্বেষণ করেও এক
ফোঁটা পানি সংগ্রহ
করতে পারলাম না।
সুতরাং আমি বিদায়
হলাম।

অত:পর তৃতীয়
ফেরেশতা এসে সালাম
করে
বলবেন হে আল্লাহর
বান্দা! আমি তোমার
পদযুগলের
তত্ত্বাবধানে নিযুক্ত
ছিলাম, কিন্তু
পৃথিবীর সর্বত্র
ঘুরেও তোমার জন্য
একটি
মাত্র পদক্ষেপের
স্থান পেলাম না।
সুতরাং আমি
বিদায় নিচ্ছি।

চতুর্থ ফেরেশতা এসে
সালাম করে বলবেন
হে আল্লাহ বান্দা!
আমি তোমার শ্বাস-
প্রস্বাস চালু
রাখার কাজে নিযুক্ত
ছিলাম। কিন্তু আজ
পৃথিবীর
এমন কোন জায়গা খুঁজে
পেলাম না যেখানে
গিয়ে তুমি মাত্র এক
পলকের জন্য শ্বাস-
প্রশ্বাস
গ্রহণ করতে পার।
সুতরাং আমি বিদায়
নিচ্ছি।

অত:পর কেরামান
কাতেবীন
ফেরশতাদ্বয় এসে
সালাম করে বলবেন, হে
আল্লাহর বান্দা!
আমরা
তোমার পাপ-পূণ্য লেখার
কাজে নিযুক্ত ছিলাম।
কিন্তু এখন দুনিয়ার
সব জায়গা সন্ধান
করেও আর
কোন পাপ-পূণ্য খুঁজে
পেলাম না। সুতরাং
আমরা
বিদায় নিচ্ছি। এই
বলে তারা এক টুকরা
কালো লিপি
বের করে দিয়ে বলবেন
হে আল্লাহর বান্দা!
এর দিকে লক্ষ্য কর।
সে দিকে লক্ষ্য
করামাত্র
তার সর্বাঙ্গে
ঘর্মস্রোত প্রবাহিত
হবে এবং
কেউ যেন ঐ লিপি
পড়তে না পারে এজন্য
সে ডানে বামে বার বার
দেখতে থাকবে।
অত:পর
কেরাম কাতেবীন
প্রস্থান করবেন।

তখনই
মালাকুল মউত তার
ডান পাশে রহমতের
ফেরেশতা
এবং বাম পাশে
আযাবের ফেরেশতা
নিয়ে আগমন
করবেন।
তাদের মধ্যে
কেউ আত্মাকে খুব
জোরে টানাটানি
করবেন, আবার কেউ
অতি শান্তির
সাথে আত্মা বের করে
আনবেন।
কন্ঠ পর্যন্ত
আত্মা পৌঁছলে স্বয়ং
যমদূত তা কবজ
করবেন।

হে আল্লাহ তুমি
রাহমানের রহিম, তুমি
দয়ালু, তুমি
আমাদের সবাইকে
খাটি মুসলমান না
বানিয়ে কবরে
নিও না।

( আমিন )

সচেতনামূলক_পোস্ট#

‘অনেকের ধারণা সাপকে কিছুটা আঘাত করে চলে গেলে সাপ লোকটাকে চিনে রাখে এবং রাতে সাপ ওই আঘাতকারী লোকের বাড়ি গিয়ে দংশন করে। মুলত সাপের স্মৃতি শক্তি খুবই কম এবং ঘরে গিয়ে দংশন করার প্রশ্নই আসে না।

কোথায়ও সাপকে দেখলে তাকে চলে যেতে সুযোগ দিন, কোন সমস্যা হবে না।

ঘরে সাপ থাকার সম্ভাবনা থাকলে বিশেষ করে ইদুরের গর্ত থাকলে শুকনা মরিচ আগুনে পোড়া দিন। তাছাড়া বাজারে কার্বোলিক এসিড আছে, এগুলি বাড়িতে এনে বোতলসহ ঘরের মধ্যে রাখুন, সাপ চলে যাবে।

কাউকে সাপে দংশন করলে ওঝা বা বুদ্ধের কাছে না গিয়ে ১০০০ টাকা দিয়ে সাপের এন্টিভ্যানম ইনজেকশন দিন।
ইনশাআল্লাহ সুস্থ্য হবে নিশ্চিত।

দংশিত ব্যাক্তির জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল সাহস দেয়া। প্রয়োজনীয় সাহস না দিতে পারলে, রোগী হার্ট এটাকে মারা যাবে।

সাপে দংশন করার পর ৭/৮ ঘন্টা পর্যন্ত রোগী বেঁচে থাকে, তাই ধৈর্য্য ধারণ করে দ্রুত ইনজেকশনের ব্যবস্থা করতে হবে।

কোন সাপে কামড় দিয়েছে সেটার পরিচয় জানা গেলে চিকিৎসায় কিছুটা সুবিধা হয়, তবে খেয়াল রাখতে হবে এতে যেন বেশী সময় নষ্ট না হয়।

বাংলাদেশের বিষাক্ত প্রায় সকল সাপের বিষ নষ্ট করার ইনজেকশন আবিস্কার হয়েছে। শুধুমাত্র রাসেল ভাইপার বা শংখচুড় সাপের টিকা আবিস্কারের চেষ্টা চলছে। আর এই সাপ বাংলাদেশের রাজশাহী ছাড়া আর কোথাও দেখা যায় না।

মনে রাখতে হবে, ওঝা বুদ্ধ নয় সচেতনতাই পারে অনেকের জীবন বাঁচাতে।

এ মূহুর্তে সাপেরা ঠান্ডা বাতাসের জন্য বেশী বিচরণ করবে, তাই এ সময়ে মানুষ বেশী দংশিত হয়।

আমার এ পোস্টটি যে কোনভাবে (শেয়ার করুন)
মানুষদের জানিয়ে দিন। হতে পারে এভাবেই একটি মানুষ সচেতন হবে, এমনকি কেহ বেঁচেও যেতে পারে’।

সংগৃহীত,

জাত-ধর্ম নয়, ক্ষুধাই যেখানে মূল বিবেচ্য

ইট-পাথর আর কংক্রিটের মহানগর রাজধানী ঢাকাতে কে কার খবর রাখে? অবশ্য ব্যস্ততা আর বাস্তবতার দৌড়েই যেখানে নাভিশ্বাস প্রত্যেকের, সেখানে অন্যের খবর রাখার সময়ই বা কই! কিন্তু এই শহরেই ক্ষুধার্তের মুখে বিনামূল্যে প্রতিদিন একবেলার খাবার তুলে দিচ্ছে ‘মদনমোহন অন্নছত্র ট্রাস্ট’। তাও আবার একদিন দু’দিন নয়, প্রায় একশো বছর ধরে চলছে মানবতার এই জয়যাত্রা।
আরো খবর জানতে ভিজিট করুন www.somoynews.tv

https://web.facebook.com/somoynews.tv/videos/1395472583879148/

 

পীর

Charchina-Pir-1024x585

পীর হলো ধর্মীয় শিক্ষক , এক বিশেষ শিক্ষা দেওয়ার শিক্ষক । একজন অভিজ্ঞ এমন শিক্ষকের কাছ থেকে শিক্ষা নিয়েই , শিক্ষা কম্পিলিট করে সনদ ( হতে পারে মৌখিক সনদ বা লিখিত সনদ , আমরা যেমন কোর্স করে সার্টিফিকেট পাই ) পাওয়ার পরেই ( এই সনদকে খেলাফত বলে ) একজন মানুষ এই শিক্ষার শিক্ষক হতে পারেন । তবে এই শিক্ষক হওয়ার জন্য কিছু গুন / যোগ্যতা থাকতে হয় , যা বলছিঃ শাহ ওয়ালিউল্লাহ দেহলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার কিতাবে লিখেছেন –
(১) পীর হওয়ার জন্য প্রথম শর্ত হল, কোরআন, হাদীসের আলেম হওয়া। (আল কওলুল জামিল ২০ পৃ.)
(২) পীর হওয়ার জন্য দ্বিতীয় শর্ত হল, ন্যায়নীতিবান ও খোদাভীরু হওয়া। কবীরা গোনাহ থেকে বেঁচে থাকবে এবং ছগীরা গোনাহও বার-বার করবে না। (আল কওলুল জামিল ২৪ পৃ.)
(৩) পীর হওয়ার জন্য তৃতীয় শর্ত হল, দুনিয়াত্যাগী ও আখেরাতমুখী হওয়া। যিকির ও মামূলাত নিয়মিত পালন করা এবং সঠিক হাদীস দ্বারা প্রমাণিত সুন্নতে মুয়াক্কাদা ও নফল ইবাদত সময়মত আদায় করা। অন্তরে সর্বদা আল্লাহ পাকের স্বরণ রাখা। যাকে ‘ইয়াদ-দাশত’ বলা হয়, তা যেন অন্ত্মরের স্থায়ী গুণে পরিণত হয়ে যায়। (আল কওলুল জামিল ২৫ পৃ.)
(৪) পীর হওয়ার জন্য চতুর্থ শর্ত হল, সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজের নিষেধ করা। সঠিক জ্ঞানের অধিকারী হওয়া, কথা ও কাজে বিশ্বস্ত থাকা। যেন তার আদেশ- নিষেধের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করা যায়। যেমন আল্লাহ পাক বলেন, যে সব সাক্ষীগণের সাক্ষী দেওয়ার প্রতি তোমরা সন্ত্মুষ্ট থাকো, তাদের সাক্ষী গ্রহণ করো”। তাহলে পীরের প্রতি কেমন ধরনের সুধারণা হওয়া উচিত? কারণ সাক্ষী গ্রহণ করার ক্ষেত্রে যদি সাক্ষীগণের বিশ্বস্ত্ম হওয়ার প্রয়োজন হয়, তাহলে পীর হওয়ার জন্য বিশ্বস্ত্ম হওয়া কত বেশি প্রয়োজন হওয়া উচিত। (আল কওলুল জামিল ২৫ পৃ.) সাক্ষী দেওয়ার ক্ষেত্রে যদি সাক্ষীগণের বিশ্বস্ত্ম হওয়ার প্রয়োজন হয়, যা পার্থিব বিষয়। তাহলে ঈমানের সত্যতা প্রমাণ করার জন্য বাইয়াত গ্রহণকারী পীরের জন্য মুত্তাকী, পরহেজগার ও বিশ্বস্ত্ম হওয়া আরো বেশি প্রয়োজন, কারণ তা ঈমানী ও ইসলাহী বিষয়। আর তার জন্য সুন্নতের অনুসরণ করাও জরুরী। লোক সমাজে পীরের বিশ্বস্ত্ম হওয়ার জন্য জাহেরী ও বাতেনী গোনাহ থেকে বেঁচে থাকা এবং ছগীরা গোনাহ থেকেও বেঁচে থাকা জরুরী।
(৫) পীর হওয়ার জন্য পঞ্চম শর্ত হল, অনেক দিন ধরে পীর-মাশায়েখের সোহবতে থেকে আদব আখলাক শিক্ষা করা। বাতেনী নূর হাসিল করা এবং ‘সাকিনা’ অর্থাৎ সবর-ধৈর্য ও বিনয়-নম্রতার গুণ অর্জন করা। কারণ আল্লাহ পাকের নিয়ম হল, কোন মানুষ ততক্ষণ পর্যন্ত্ম দ্বীন হাসিল করতে পারে না যতক্ষণ পর্যন্ত সে কোন বুযুর্গ ব্যক্তির সঙ্গ লাভ না করবে এবং তাদেরকে দেখে দেখে ভাল গুণগুলো শিক্ষা না করবে। (আল কওলুল জামিল ২৬ পৃ.)…. collected… from Dr. Md Faijul Huq

 

 

 RRRRRRR  jpgi- (6)  20000 MS GIF

print diagram- 01

22222222222

408544220_498

power-distribution-board-250x250

distubation transformer

Advertisements