VISION

“ভালোমানুষের একটা লিস্ট করতেছি!! যেখানেই যারে ভালো কিছু করতে দেখতেছি তাকেই নোট বইয়ে বুক করতেছি!! নামধাম লিখে তার বর্ণনা দিয়ে রাখতেছি!!

আজকে কড়া রোদে বনানী যাওয়ার সময় দেখালাম এক চাইনিজ নাক বোচা রিকশায় হুট উঠিয়ে যাচ্ছে আর তার হাতের ছাতা ধরে আছে রিকশাআলার মাথার উপর! লজ্জা পেলাম খুব, আমার রিকশার হুট ফেলে দিলাম, রিকশাআলা আর আমি দুজনেই গায়ে রোদ মেখে এগিয়ে যেতে লাগলাম!! নোট বইয়ে চাইনিজ বেটার নাম উঠালাম “নাক বোচা” নামে!!

শাহবাগে বন্ধুর অপেক্ষায় বিড়ি ফুকতে ফুকতে চোখ গেলো এক বালিকার উপরে!! সুন্দরী বালিকা নিজ হাতে ভাত খাইয়ে দিচ্ছে এক বৃদ্ধাকে!! বালিকার পোশাক বলে সে বৃদ্ধার সমাজের কেউ নয় আর বৃদ্ধার পোশাকহীন দেহ আমাকে জানিয়ে দিচ্ছে সেই আমার বাংলাদেশ!! যাইহোক নোট বইয়ে বালিকার নাম দিলাম “একজন মমতাময়ী”!!

শাহবাগে আরেকটা ছেলেকে দেখলাম বসে বসে বেলি ফুলের মালা বানাচ্ছে!! পাশে এক ছোট মেয়ে বসে আছে!! মেয়েটার লাল চুল আর পরনে ছেড়া জামা!! ছেলেটা মেয়েটাকে ফুল বানিয়ে দিচ্ছে আর বলতেছে, কষ্টের টাকা দিয়ে ফুল কিনে মালা বানায়া দিতেছি সব বিক্রি করে আসবি, আর বিক্রি শেষ করে ভাত খাবি আর যদি তোরে দেখি ভিক্ষা করতে তাইলে তোর খবর আছে!! বিকেলে কাজ শেষে স্কুলে চলে আসবি!! বুঝছিস? মেয়েটা মাথা নেরে বুঝে ফুল হাতে চলে গেলো!! আমি ছেলেটাকে বললাম, ভাই ফুল কিনে না দিয়েতো আপনি মেয়েটাকে খাবার কিনেই দিতে পারতেন!! ছেলেটা বলল, ভাই আমি দশ বারোটা ছেলে মেয়ে পড়াই এদের সবাইকে নিজের পকেটের টাকা দিয়ে খাবার কিনে দেয়ার সামর্থ্য আমার নাই, তাই এদের ফুল কিনে মালা বানিয়ে দেই তাতেই এদের খাবার হয় আর যে টাকা বাচে তা দিয়ে এরপর দিন আবার ফুল কিনে দেই!! আর বিকেল হলে এদের পড়তে বসাই!! ছেলেটার নাম ভালো মানুষের লিষ্টে উঠানোর আগে তার হাত ছুয়ে দেখলাম!! ভালো মানুষের ছোয়ায় নিজে যদি ভালো হই!

ভালো মানুষের তালিকায় নাম দিলাম সালমার!! আহত পুলিশকে ওড়না দিয়ে কাধে বেধে সালমা দেখিয়ে দিলো নারী শুধু সংসারের ভার কাধে নেয় না, নেয় মৃত প্রায় সমাজেরও!!

যোগ হলো হাসানের নাম!! রং তুলি দিয়ে ছড়িয়ে দিচ্ছে যৌতুক বিরোধী আন্দোলন!! যেখানে পারছে লিখে যাচ্ছে “যৌতুক নেয়া আর ভিক্ষা চাওয়া এক জিনিস”!!

জয়নাল সাহেবের দায়িত্ব হচ্ছে মানুষ গড়ার!! পানি পার হয়ে ছাত্র ছাত্রীরা স্কুলে আসতে পারতেছে না তাই নিজেই নৌকা নিয়ে নেমে গেলেন পানিতে!! শিক্ষক থেকে হলেন মাঝি! মানুষ গড়ার কারিগর মানুষ গড়ছেন মাঝি হয়ে!! জয়নাল সাহেব আমন্ত্রণ আপনাকে ভালোমানুষের তালিকাতে!!

ভালোমানুষের তালিকাতে নাম দিলাম কিছু শিখ মানুষের!! লন্ডনে রায়োটের সময় মুসল্লিদের নামাজের সময় যেন কেউ মুসল্লিদের ক্ষতি করতে না পারে তা তাই মসজিদের বাহিরে লাঠি হাতে দাড়িয়ে পাহারা দিচ্ছিলো কিছু শিখ মানুষ!! আমি সিওর সেই দিন মুসল্লিদের নামাজের দোয়ায় ছিলো “করুনাময় তোমার রহমতের দড়জা খুলে দাও ওই শিখ ভাইদের জন্যে যারা তোমাকে সেহ্জদা দেয়ার সময় নিরাপদে রেখেছিলো আমাকে”

নাহ্!! ভালোমানুষের সংখ্যাতো এত কম না!! নোট বইয়ে একের পর এক নাম যোগ হচ্ছে!! আচ্ছা এই ভালোমানুষের নাম গুলো দিয়ে কি করবো? এই ভালোমানুষের নামের নোট বইটা তুলে দিবো ছেলেমেয়ের হাতে!! শোনো পোলাপান, ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার দরকার নাই!! জীবনে কিছু হতে হলে নোট বইয়ের এই মানুষ গুলার মত হইও!! যদি কখনো রাস্তায় এই মানুষ গুলার সাথে দেখা হয় দৌড়ে গিয়ে তাদের হাত ছুয়ে বলবে, “আমার মাথায় হাত রেখে একটু দোয়া করবেন, যেন আমি মানুষ হই”!!

জীবনে ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার আগে মানুষ হওয়াটা খুব জরুরি!! খুব জরুরি!!

 

আত্মাকে অমর দাবি করছেন দুই মার্কিন পদার্থবিদ

মানুষের মস্তিষ্ক যেন একটা কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার। আর আত্মা যেন তার সফটওয়্যার। যখন কারও মৃত্যু হয়, তখন তার আত্মার মৃত্যু হয় না। সেটিমহাবিশ্বেই ছড়িয়ে পড়ে। এমন কি শরীরের বাইরে বেরিয়ে যাওয়া তথ্যরূপী আত্মা মস্তিষ্কের মাইক্রোটিবিউলে আবার ফেরত যেতে পারে। এসব দাবি আধ্যাত্মবাদী কোনও ব্যক্তির নয়; দুই মার্কিন পদার্থবিদের। মরগ্যান ফ্রিম্যান এর উপস্থাপনায় মার্কিন বিজ্ঞানভিত্তিক তথ্যচিত্রের সম্প্রচারমাধ্যম সায়েন্স চ্যানেলে সম্প্রচারিত ওই দুই পদার্থবিদের বক্তব্যকে উদ্ধৃত করে কয়েকটি বিজ্ঞানভিত্তিক ওয়েবসাইট সম্প্রতি এই বক্তব্যকে সামনে এনেছে।.

দুই মার্কিন পদার্থবিদ ডক্টর স্টুয়ার্ট হ্যামারহফ এবং পদার্থবিদ স্যার রজার পেনরোজের দাবি, আত্মা মস্তিষ্কের ‘মাইক্রোটিবিউলে’ থাকে। তারা এই প্রক্রিয়াটিকে ‘অর্কেস্ট্রেটেড অবজেক্টিভ রিডাকশন’ বা ‘অর্ক-অর’ নামে অভিহিত করেছেন। মানুষ যখন মারা যায় (ক্লিনিক্যালি ডেড) তখন মস্তিষ্কের মাইক্রোটিবিউলগুলোর অবস্থা পরিবর্তীত হতে থাকে, যদিও তাদের তথ্য ধরে রাখার সক্ষমতা তখনও থেকে যায়।

দ্যা সায়েন্স চ্যানেলের সম্প্রচারিত তথ্যচিত্র ‘থ্রু দ্যা ওয়ার্মহোলে’ ডক্টর হ্যামারহফ বলেছেন, ‘ধরুন হৃৎপিণ্ড কাজ করা বন্ধ করে দিয়েছে। রক্ত প্রবাহও থেমে গেছে। তখন মাইক্রোটিবিউলগুলোও তাদের তথ্য ধরে রাখার সক্ষমতা হারাতে থাকে। কিন্তু মাইক্রোটিবিউলগুলোতে থাকা কোয়ান্টাম তথ্য একেবারে হারিয়ে যায় না। কারণ সেটাকে ধ্বংস করা যায় না। তা মহাবিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে।’

তিনি আরও বলেছেন, ‘কোমায় থাকা ব্যক্তি যদি চেতনা ফিরে পান  তখন ওই কোয়ান্টাম তথ্য আবার কোষের ভেতরে প্রবেশ করতে পারে। ওইরকম সময়েই কোমা থেকে ফিরে আসা ব্যক্তিরা বলেন যে তারা মৃত্যুকে অনুভব করেছেন। আর যদি ব্যক্তিটি কোমা থেকে ফিরে না আসেন, সেক্ষেত্রে তার মস্তিষ্কে থাকা কোয়ান্টাম তথ্য তার শরীরের বাইরে অনির্দিষ্টকালের জন্য ছড়িয়ে পড়ে আত্মা হিসেবে।’

হ্যামারহফের বক্তব্য থেকে মনে হয়, আত্মা নিছক মস্তিষ্কের নিউরনের মিথস্ক্রিয়া নয়। বরং তাদর তত্ত্ব ইঙ্গিত দিচ্ছে, কোয়ান্টাম তথ্যরূপী ‘আত্মা’ সময় সৃষ্টির আগে থেকেই বিদ্যমান। ডার্ক ম্যাটার ও ডার্ক এনার্জির মতো বিষয়গুলো আমরা দেখতে পাই না কিন্তু স্বীকার করে নিয়েছি যে সেগুলো আছে। আত্মার বিষয়ে হ্যামারহফ আর পেনরোজের তত্ত্ব হয়তো সেরকমই গ্রহণযোগ্য বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হবে।

 

 

বিশ্বাসই ব্যবসার মূল ভিত্তি : খলিলুর রহমান

বিশ্বাসই ব্যবসার মূল ভিত্তি : খলিলুর রহমান

দেশের খ্যাতিমান শিল্পপতি, কেডিএস গ্রুপের চেয়ারম্যান খলিলুর রহমান বলেছেন, বিশ্বাসই ব্যবসার মূল ভিত্তি। মানুষের আস্থা অর্জন করা গেলে ব্যবসায় উন্নতি নিশ্চিত। পারিবারিকভাবেই ব্যবসার পরিবেশ পেয়েছি আমি। পরিবারের সবাই আমাকে বিশ্বাস করতেন বলেই তাঁদের বিশ্বাসের কোনো অমর্যাদা করিনি।

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি এবং কেডিএস গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. খলিলুর রহমান। এক সাক্ষাতকারে তিনি বলেন, দেশের অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে এলএনজির কোনো বিকল্প নেই । যত দ্রুত গ্যাস সমস্যার সমাধান হবে ব্যবসা শিল্পোদ্যোক্তাদের জন্য তা ততই মঙ্গল। যদি সময় মতো নিজেদের তৈরি করা না যায় তা অর্থনীতিতে বিরূপ প্রভাব ফেলবে।

যে ক’জন প্রজ্ঞাবান শিল্পোদ্যোক্তার হাত ধরে চট্টগ্রাম তথা সারাদেশের অর্থনীতির চাকা সচল রয়েছে তাঁদের মধ্যে অন্যতম তিনি। ব্যাংকসহ প্রায দুই ডজন শিল্পখাতে বিনিয়োগ রযেছে কেডিএস চেয়ারম্যান খলিলুর রহমানের।

তিনি বলেন, আমাদের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক হচ্ছে বন্দর। কাজেই দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে চট্টগ্রাম বন্দরের গুরুত্ব সত্যিকারভাবে উপলদ্ধি করার সময় এসেছে।

খলিলুর রহমান চট্টগ্রামের শিল্পখাতের অন্যতম প্রানপুরুষ। তাঁর উল্লেখযোগ্য প্রতিষ্ঠানগুলো হলো, কেডিএস গার্মেন্টস, সাইন্দার গার্মেন্টস, এইচ এন এ্যাপারেলস, মুন এ্যাপারেলস, কেএনএস এন্টারপ্রাইজ, কেডিএস এ্যাপারেলস, কেডিএস ক্যুইলটিং, স্টার এ্যাপারেলস, মডার্ন এ্যাপারেরস, কেডিএস হাইটেক গার্মেন্টস, কেডিএস কোয়ালিটি এ্যসুরেন্স সেন্টার, কেডিএস ওয়াসিং প্ল্যান্ট, কেডিএস টেক্সটাইলস মিলস, কেডিএস স্ক্রিন প্রিন্টিং ইন্ডাস্ট্রিজ, কেডিএস লজেস্টিক, কেডিএস পলি এন্ডাস্ট্রিজ, কেডিএস প্লাস্টিক ইন্ডাস্ট্রিজ, কেডিএস প্যাকেজিং ইন্ডাস্ট্রিজ, কেডিএস লেবেল প্রিন্টিং ইন্ডাস্ট্রিজ, কেডিএস কটন পলি থ্রেড ইন্ডাস্ট্রিজ, কেআইওয়াই স্টিল ইন্ডাস্ট্রিজ, কেওয়াই স্টিল মিলস, কেওয়াইসিআর কয়েল ইন্ডাস্ট্রিজ, কেডিএস ইনফরমেশন টেকনোলজিস, স্টিল এক্সেসোরিজ, মেসার্স এ এইচ সিন্ডিকেট, মেসাস সেলিম এ্যান্ড কো:, কেডিএস আইডিআর রহমান এন্ড কো: (ফসিল এ্যান্ড পটিয়া সিএনজি)।

চট্টগ্রামের পটিয়ার ছেলে মোহাম্মদ খলিলুর রহমানের জন্ম ১০ এপ্রিল ১৯৪৫। বাবা মৃত আলহাজ আবুল খায়ের। মা মৃত আলহাজ ফাতেমা বেগম। ছোট বেলা থেকেই অত্যন্ত জেদি ছিলেন হাস্যোজ্বল এই মানুষটি। ভাবনার আকাশটা পরিস্কার ছিলো বলে চলার পথে কখনো কোথাও রুদ্ধ হয়নি তাঁর পথ। তিনি বলেন, আমার চিন্তাশক্তি আমার লক্ষ্যের প্রতি নিবেদিত। ফলে আমি যা ভেবেছি তাই করেছি এবং তাতেই সফল হয়েছি।

বিজ্ঞানে স্নাতক সম্পন্ন করা চট্টগ্রামের স্বনামধন্য এই শিল্পোদ্যোক্তা ইতোমধ্যে তালিকাভুক্ত হয়েছেন কমার্সিয়াল ইমপোর্টেন্ট পারসন (সিআইপি) হিসেবে। তিনি বলেন, পারিবারিকভাবেই ব্যবসার পরিবেশ পেয়েছি আমি। পরিবারের সবাই আমাকে বিশ্বাস করতেন বলেই তাঁদের বিশ্বাসের কোনো অমর্যাদা করিনি।

দেশের সীমানা ছাড়িয়ে অনেক আগেই কেডিএস গ্রুপের সুনাম ছড়িয়েছে বহির্বিশ্বে। পোশাক খ্যাতের শিল্প বিপ্লবের কারণে দেশের সীমানা পাড়ি দিয়ে নোঙর তুলেছে ইউএসএ, কানাডা, ইউরোপ, স্কানডিনাভিয়া কান্ট্রিস, সাউথ এশিয়া, সাব কন্টিন্যান্ট, কোরিয়া, সিঙ্গাপুর, চীন, থাইল্যান্ড, জার্মানী, শ্রীলংকা, ভারত, পাকিস্তান, সাউথ আফ্রিকা, ভিয়েতনাম, নাইজেরিয়া, কঙ্গো, মালওয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, কম্বোডিয়া, মিয়ানমার, দুবাই, মোজাম্বিক, ঘানা, মালয়, তানজানিয়া, সিয়েরা লিয়ন, ঘাবন নাইজেরিয়া, ফারিস্ট এবং মধ্যপ্রাচ্য।

শিল্পকারখানার পাশাপাশি সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকেও তিনি চট্টগ্রামে গড়ে তুলেছেন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়সহ একাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। যারমধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছেÑ সাদার্ন বিশ্ববিদ্যালয়, খলিলুর রহমান মহিলা কলেজ, খলিল মীর ডিগ্রি কলেজ, খলিলুর রহমান গার্লস হাইস্কুল, তরতলা বেলখাইন মোহাম্মদি হাইস্কুল, খলিলুর রহমান শিশু নিকেতন, খলিলুর রহমান কালচারাল একাডেমি, উত্তর খরগ্রাম সাবেরিয়া খলিলিয়া ইসলামীয়া সুন্নিয়া মাদ্রাসা, সাইন্দার গাউসিয়া তৈয়্যেবিয়া দেলোয়ারা বেগম সুন্নিয়া আলীম মাদ্রাসা, সাইন্দার আল হাজি আবুল খায়ের সুন্নিয়া সিনিয়র মাদ্রাসা। এছাড়া তিনি এস এ নূর হাইস্কুল, হাফেজুর রহমান গার্লস হাইস্কুল এবং সালেহ নূর কলেজের গভর্নিং বডির সদস্য।

চট্টগ্রামে ব্যবসার পরিধি বাড়ানো, নতুন নতুন শিল্পোদ্যোক্তা সৃষ্টি করাসহ নুতন নতুন শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে বিশেষ ভুমিকা রেখেছেন তিনি।

তরুণ ও অনভিজ্ঞ শিল্পোদ্যোক্তাদের সাহায্য করতে তিনি গড়ে তুলেছেন একাধিক সহযোগী প্রতিষ্ঠান। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স এ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ। প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন পটিয়া সমিতি, চট্টগ্রাম; বাংলাদেশ সিআর কয়েল ম্যানুফেকচারিং এক্সপোর্টস এসোসিয়েশন ও প্রগতি লাইফ ইন্সুরেন্স লি:।

এছাড়া সাবেক চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন নাশন্যাল ব্যাংক, স্যোসাল ইসলামী ব্যাংক লি:, আল আরাফা ইসলামী ব্যাংক লি:, স্পন্সর শেয়ার হোল্ডার নর্দার্ন জেনারেল ইন্স্যুরেন্স এবং বাংলাদেশ রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি চট্টগ্রাম অঞ্চলে। 
বিজিএমইএ-এর সাবেক প্রথম সহসভাপতি, বাংলাদেশ ইনল্যান্ড কনেটইনার ডিপো এসোসিয়েশন (বিআইসিডিএ) সহ-সভাপতি ছিলেন চট্টগ্রাম নগরীর এই শিল্পোদ্যোক্তা। একাধারে যমুনা ফিউচার পার্ক রিসোর্ট ও প্রগতি ইন্সুরেন্স লিমিটেডের পরিচালকও তিনি।
পরপোকারী এই শিল্পপতি মনে করেন, নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য বিনিয়োগের অন্যতম জায়গা হচ্ছে চট্টগ্রাম। তিনি বলেন, চট্টগ্রাম একটি আধ্যাত্মিক ও পবিত্র শহর। উদ্দেশ্য স্বচ্ছ হলে যেকোন ব্যক্তির পক্ষে সফল হওয়া সম্ভব। তবে সেক্ষেত্রে চোখ-কান খোলা রেখে ধীরে চলো নীতি অনুসরণ করতে হবে।

কাজের স্বীকৃতি হিসেবে নিজ দেশ ছাড়াও পৃথিবীর বেশ কয়েকটি দেশ সম্মাননা কর্ম উদ্যমি এই মানুষটিকে। পণ্যের গুনগত মানের জন্য ১৯৮৭, ১৯৮৮, ১৯৮৯, ১৯৯০, ১৯৯১, ১৯৯২, ১৯৯৪, ১৯৯৫, ১৯৯৬, ১৯৯৭, ১৯৯৯, ২০০০, ২০০৩, ২০০৪, ২০০৫, ২০০৬, ২০০৭, ২০০৮ এবং ২০০৯ সালে তিনি সম্মাননা পান স্পেন থেকে। 
একইভাবে স্ট্রাটেজি পার্টনার হিসেবে আউটস্ট্যান্ডিং পারফরমেন্স ও পণ্যের মান সন্তোষজনক রাখায় তাঁকে ১৯৯৮, ১৯৯৯, ২০০০, ২০০১ ও ২০০২ সালে সম্মাননা পান আমেরিকা থেকে।

তিনি ‘কে মার্ট কর্পোরেশন’ থেকে সম্মাননা পান ২০০৯ সালে। এছাড়া ট্রেড লিভার ক্লাব স্পেন থেকে পরপর পাঁচবার সম্মাননা দেওয়া হয় খলিলুর রহমানকে। একইভাবে ওয়ালমার্ট কানাডা এবং ইউকে থেকে তাঁকে সম্মাননা দেয়া হয় ২০০৪, ২০০৫, ২০০৯ এবং মাদ্রিদ থেকে সম্মাননা পান ১৯৯২ সালে।

পোশাক রপ্তানিতে প্রেসিডেন্ট গোল্ড ট্রপি পান ১৯৮৫, ১৯৮৭, ১৯৯৫, ১৯৯৬, ১৯৯৭, ১৯৯৮, ১৯৯৯, ২০০১ এবং ২০০২ সালে। বাটেক্সপো এ্যাওয়ার্ড পান ১৯৯৯ ও ২০০২ সালে, কাফেক্সপো সম্মাননা পান ২০০৯ এ। এছাড়া গুণী এই ব্যবসায়ীকে বিভিন্ন সময় সম্মাননা জানান শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক, মার্কেন্টাইল ব্যাংক, জনতা ও যমুনা ব্যাংক ।

ভাটিয়ারী গল্ফ ক্লাব, চট্টগ্রাম বোট ক্লাব, চিটাগাং ক্লাব, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন লায়ন্স ক্লাব, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব, সিনিয়র্স ক্লাব, জিরি জনকল্যাণ ট্রাস্ট এবং মা ও শিশু হাসপাতালের আজীবন সদস্য তিনি। এছাড়া বাংলাদেশ সিআই শিট এ্যান্ড জিপি এসোসিয়েশনের এক্সিকিউটিভ মেম্বার মোহাম্মদ খলিলুর রহমান।

বার বার হেরে যাবার গল্প

 

দুহাজার তিন সালে সায়েন্স গ্রুপ থেকে আমি এইচ এস সি পাস করি, 3.60 আউট অফ 5 এর ভয়াবহ সিজিপিএ নিয়ে| ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজের ছাত্র ছিলাম, আন্ত: ক্যাডেট কলেজ প্রতিযোগিতাগুলোর কারণে প্রায় সবাই চিনত| ক্যাডেট কলেজের শেষ এক বছর এক্সট্রা কারিকুলামই শুধু করেছি, কারিকুলামটা আর করা হয়ে ওঠেনি| সায়েন্স বিভীষিকার মত লাগত, বিশেষ করে কেমিস্ট্রি| আমার বড় চাচা কেমিস্ট্রি গোল্ড মেডালিস্ট শিক্ষক, কেমিস্ট্রিকে বাবা বলতেন “পারিবারিক সাবজেক্ট”| সেই কেমিস্ট্রিতে পেলাম বি , ম্যাথে সম্ভবত সি|

এইচ এস সি পরীক্ষার রেজাল্টের পরের দু মাস ছিল রীতিমত নরকসম| সফল কোন আত্মীয়/বন্ধুর মা ফোন করতেন আমার মা কে, দূর থেকে অপরাধীর মত শুনতাম আম্মুর কণ্ঠ- “না ভাবী, আমার ছেলে ভাল করেনাই, পাস করেছে কোনরকম”| টপ টপ করে চোখ বেয়ে পানি পড়ত, আমারও, আম্মুরও- কিন্তু যন্ত্রণার সেটা কেবল শুরু|

ইংরেজিতে কিছুটা ভাল ছিলাম, প্রাণপণ চেষ্টা শুরু করলাম আইবিএ এর জন্যে| দিনে বারো থেকে আঠের ঘন্টা পড়াশোনা, ফলাফল হল অশ্বডিম্ব- লিখিত পরীক্ষাতেই টিকলাম না| আইবিএ রেজাল্টের পর মোটামুটি গৃহবন্দীতে পরিণত হলাম- আত্মীয় স্বজনদের মধ্যে সারাজীবন যাকে তৃতীয় শ্রেনীর গর্ধব বলে জেনেছি, তিনিও আব্বু আম্মুকে ফোন করে জ্ঞান দেয়া শুরু করলেন- আপনার ছেলের কি হবে এখন?

আমাদের সমাজটা কেন জানি ব্যর্থদের প্রতি প্রচন্ড নির্মম| জীবনের কোন একটা লড়াইয়ে আপনি হেরেছেন কি মরেছেন, হায়েনার দল ওত পেতে বসে আছে আপনার দগদগে ঘা তে মরিচগুঁড়ো সহকারে লবন দেবার জন্যে|কেউ একটিবারের জন্যে আপনার ক্ষতবিক্ষত বুকে হাত বুলিয়ে বলবেনা, ” ধুর বোকা, ভেঙে পড়ার কি আছে, এ লড়াই তো শেষ লড়াই না!”

আঁধারের মাঝে আলোকচ্ছটা হয়ে এল আমার আইএসএসবি তে টেকা, তাও সেটা মাত্র কয়েক মাসের জন্যে| বিএমএ যাবার তিন মাসের মধ্যে বুঝতে পারলাম, প্রতিটি পদক্ষেপ নিয়ম মেনে চলা কঠোর এ সেনাজীবনের উপযুক্ত আমি নই| স্বেচ্ছায় চাকুরি ছেড়ে চলে আসার দিন প্লাটুন কমান্ডার মেজর এম বলেছিলেন- You are just a goddamn failure.You have failed here, I can write down in the stamp paper that you will never succeed anywhere in your life.

আর্মিতে যাবার আগে শেষবারের মত জীবনের “রঙ” দেখতে নর্থ সাউথে পরীক্ষা দিয়েছিলাম, ওটাই শেষে ঠিকানা হল| প্রাইভেট ভার্সিটিতে পড়ি শুনে আত্মীয় স্বজনদের মধুর মন্তব্য- “বাপের টাকা আছে দেখে করে খাচ্ছে, নাহইলে তো রাস্তায় ইঁট ভাঙারও যোগ্যতা ছিলনা| জানি তো, আর্মি থেকে লাত্থি মেরে বের করে দিয়েছে!”

নর্থ সাউথের পারফরম্যান্সও তথৈবচ, প্রথম দু সেমিস্টারে ছটা সাবজেক্টের পাঁচটায় ফেইল, আরেকটায় সি মাইনাস| এরপর জোর করে কিছুটা পড়াশোনা করে পাস করলাম সাড়ে তিনের কাছাকাছি সিজিপিএ নিয়ে, আমার ডিপার্টমেন্টের ছাত্রছাত্রীদের তুলনায় যেটা আহামরি কিছুই না| অর্থনীতির ছাত্র,কিন্তু ইংরেজিতে কিছুটা দখল থাকায় চাকুরি হল ইংলিশ ডিপার্টমেন্টে, টিচিং এ্যাসিস্টেন্টের কাজ|

আমার বন্ধুরা একে একে বাইরে পড়তে গিয়েছে , কিন্তু আমার সে যোগ্যতা ছিল না| ঠিক করলাম বিসিএস দেব, বাবার মত সরকারী চাকুরি করব|

“এনেসিউ তে পড়ে বিসিএস? বাবা, ওসব জায়গায় টেকা প্রাইভেটের ছেলেপেলের কম্মো না, যাও বাপের বিজনেসে বসো গিয়ে, নইলে মামা চাচা ধরে দেখ কোন কোম্পানিতে ঢুকতে পারো কিনা| মাল্টিন্যাশনালে ঢোকা তোমার যোগ্যতায় কুলাবে না, দেখলাম তো”

প্রিয় পাঠক, আজকে আপনারা আদর করে আমাকে সুপার কপ ডাকেন| মাত্র পাঁচ বছর আগেই আমাকে প্রতিনিয়ত উপরের কথাগুলো শুনতে হয়েছে|

বিসিএস পরীক্ষার রেজাল্ট হল, ফরেন সার্ভিস পেলাম না| রেজাল্ট খারাপ হয়নি, পুলিশ ক্যাডারের মেধাক্রমে চতুর্থ হয়েছিলাম| তবু জেনে গেলাম, ক্যারিয়ার ডিপ্লোম্যাট হিসেবে কোনদিনও আমি জাতিসংঘে দাঁড়িয়ে লাল সবুজ পতাকার প্রতিনিধিত্ব করতে পারছিনা| বুকের ভেতর লুকিয়ে রাখা পরম মমতায় লালিত স্বপ্নের কি করুণ অপমৃত্যু!

পুলিশ একাডেমিতে যাবার আড়াই মাসের মাথায় হঠাৎ একদিন দুবছর ধরে স্বপ্ন দেখানো মেয়েটি জানালো, পুলিশের চাকুরি করা কারো সাথে বাকি জীবন কাটানো তার পক্ষে সম্ভব না, শি ইজ ডেটিং সামওয়ান এলস|

প্রথম প্রেম ছিল ওটা, ওকে ছাড়া কাউকে কল্পনাও করতে পারতাম না| উফ, কি কষ্ট, কি ভয়াবহ কষ্ট! মনে হত শত শত বিষাক্ত কেঁচো আমার ভেতরের সবটুকু প্রাণ শুষে নিয়েছে!

দুবছর যাকে নিয়ে স্বপ্ন দেখেছি, পুরো স্বপ্নটুকু নিষ্ঠুরের মত ছিঁড়ে ফেলার যন্ত্রণা কেবল আমিই জানি| আমার ল্যাপটপের পাসওয়ার্ড ছিল ওর নামে| হাউমাউ করে দরজা আটকে কি কান্নাটাই না কেঁদেছিলাম ওটা বদলানোর সময়!

মজার ব্যাপার, হৃদয়ঘটিত কষ্টের ঘটনাক্রমে এ ঘটনাটির স্থান প্রথম নয় আমার জীবনে| প্রথমটির গল্প অন্য কোন দিন, যেদিন আমি আরেকটু শক্ত হব তখন|

পুলিশ একাডেমি থেকে পাস আউট করার পর সিলেক্টেড হলাম মাননীয় প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রীর দেহরক্ষী বাহিনী স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্সে| সেখানেও যোগ দেয়া হলনা, পুলিশ বিভাগে আমার আইডল বেনজীর স্যার আমাকে নিয়ে এলেন ডিএমপি হেডকোয়ার্টারে| সেখানে কিছুদিন কাজ করার পর গেলাম উত্তরায়, এসি (প্যাট্রোল ) হিসেবে| ফেসবুকের পোকা ছিলাম তখনো, পিএটিসিতে ফাউন্ডেশন ট্রেনিং-এ শেখা “কাইজেন” (KAIZEN) পদক্ষেপ হিসেবে উত্তরাবাসীকে পুলিশি সহায়তা দিতে খুলে ফেললাম ছোট একটা ফেসবুক পেজ|

বাকি গল্পটা আমার পরিচিত অনেকেই জানেন, পুনরাবৃত্তি করে আর বিরক্তি উৎপাদন করছিনা|

এবার মজার কিছু তথ্য দেই:

1) প্লাটুন কমান্ডার ভদ্রলোকের সাথে আরেক জায়গায় দেখা হয়েছিল| বেনজীর স্যারের সাথে গাড়ি থেকে আমাকে নামতে দেখে ভূত দেখার মত চমকে উঠেছিলেন তিনি, আমি মিষ্টি করে একটা হাসি দিয়েছিলাম মাত্র|

2) গত বছর আইবিএ তাদের অভিজাত Brandedge ম্যাগাজিনে আমার একটা সাক্ষাতকার ছাপিয়েছিল| ম্যাগাজিনটা হাতে পেয়ে কেন জানি আনন্দিত হইনি, আইবিএ রেজাল্টে বাদ পড়া রক্তহীন মুখে দাঁড়ানো সেই কিশোরটার মুখ বড্ড চোখ ভিজিয়ে দিচ্ছিল| ম্যাগাজিনে ছাপানো নিজের ছবিটা দেখেও বিশ্বাস করতে পারছিলাম না|

3) জাপানের সেরা ইঞ্জিনিয়ারিং স্কুল Tokyo Institute of Technology এর গেইটে পা রেখে প্রথম যে কথাটি মাথায় এসেছিল তা হচ্ছে, বুয়েটে ভর্তি পরীক্ষা দেবার মত সিজিপিএ আমি এইচ এস সি তে পাইনি|

আমি এমন এক বাবা, যে তার দুমাসের অনাগত সন্তানকে বাঁচাতে পারিনি| কষ্টটা ভুলে থাকি কিভাবে জানেন?

এই আপনাদের নিয়ে|

সবশেষে এই বার বার হেরে যাওয়ার গল্পের ইতি টানছি আমার খুব প্রিয় তিনটি উক্তি দিয়ে:

প্রথমটা “ব্যাটম্যান বিগিন্স” থেকে:

 

 

কি হবে ১২ কোটি টাকা খরচ করে সোফিয়াকে এদেশে এনে?
কি হবে লাখো কন্ঠ একসাথে করে জাতীয় সঙ্গীত গেয়ে?
যদি একজন মাকে ডেলিবারির টাকার জন্য সন্তান পেটে নিয়া ইট বাটায় কাজ করতে হয়?
SorrY মা ডিজিটাল দেশে তোমাকে নিয়ে চিন্তা করার মতো কেউ নেই বলে।

 

 

 

25552301_1177711085692517_3381729635821740370_n

একজন মা দশজন সন্তানের দায়িত্ব নিয়ে লালন পালন করলেও আজ এই সমাজে দশজন সন্তান একজন মায়ের দায়িত্ব নিতে পারে না এ ঘটনা আজকাল অনেক ঘটছে!
বলুন তো এ কেমন নিকৃষ্ট সমাজে বসবাস করছি আমরা

 

26734315_1542987952420981_1294951383378897519_n

একদা দুই #জমজ শিশু মাতৃগর্ভে গল্প করিতেছিলো। একে অপরকে সুধাইলো, ” তুমি কি প্রসবের পরবর্তী জীবনে বিশ্বাস কর?”
অপরজন উত্তর দিলো, “অবশ্যই করি। নিশ্চই প্রসবের পরবর্তীকাল বলিয়া কিছু রহিয়াছে এবং সেই পরবর্তী কালের প্রস্তুতিকরণের উদ্দেশ্যেই আজ আমরা এইখানে।”
প্রথম জন কহিলেন “আহারে বেয়াকুফ, প্রসব-পরবর্তী জীবন বলিয়া কিছু নাই। তোমার সেই প্রসব-পরবর্তী কাল্পনিক জীবন কিরুপে সম্ভব???”
দ্বিতীয় জন উত্তর দিলেন, “আমি ঠিক জানি না। তবে সেথায় এখান হইতে আলোক অনেক বেশি হইবে। হয়তো সেথায় আমরা নিজ পায়ে হাটিয়া বেড়াইবো, মুখ দিয়া আহার করিবো। হয়তো সেখানে আমাদের ইন্দ্রিয়গুলো, অনুভুতিগুলো এখানকার চাইতে ভিন্ন হইবে যাহা এখন আমরা বুঝিতে পারিতেছিনা।”
প্রথম জন, “ইহা কল্পনাবিলাস ব্যতীত কিছুই নহে। নিজের পায়ে চলাচল? অসম্ভব। আর মুখ দিয়ে খাদ্য গ্রহন? অলিক কল্পনা আর কাহাকে বলে। আমাদের শরীরে প্রয়োজনীয় পুষ্টির সরবরাহ আসে এই নাড়ির মাধ্যমে। কিন্তু নাড়ির এই স্বল্প-দৈর্ঘ্য আমাদের প্রসব-পরবর্তী জীবনের জন্য কোনো যুক্তিতেই যথেষ্ট হইতে পারে না। সুতরাং প্রসব-পরবর্তী জীবন এক কথায় অসম্ভব।”
দ্বিতীয় জন, “আমি মনে করি জীবন এখানেই শেষ নহে। হয়তোবা প্রসব-পরবর্তী জীবন অন্যরকম। হয়তো সেখানে আমাদের এই নাড়ির প্রয়োজনই হইবে না।”
প্রথম জন, “ফালতু চিন্তারও তো একটা সীমা থাকে। আর যদি এমন হতোই, তাহলে কেন কেউ কখনো সেখান হইতে ফিরিয়া আসেনি? প্রসব হইল জীবনের শেষ এবং তাহার পর কেবলই অন্ধকার, নিরবতা আর শূন্যতা।”
দ্বিতীয় জন, “আমি ঠিক বলিতে পারি না। কিন্তু তখন আমরা আমাদের মায়ের কাছে থাকিব আর সেই আমাদের দেখাশোনা করিবে।”
প্রথম জন, “মা ? ? ? ! ! ! তুমি সত্যিই মা বিশ্বাস কর??? মা যদি সত্যিই থাকিয়া থাকে, তাহলে সে এখন কোথায়???”
দ্বিতীয় জন, “সে আমাদের চারদিকেই বিরাজমান। সে আমাদের ঘিরিয়া রহিয়াছে। আমরা তাহার মাঝেই বাঁচিয়া আছি। তাহাকে ছাড়া এই পৃথিবী অসম্ভব। তাহাকে ছাড়া আমরা অসম্ভব।”
প্রথম জন, ” তাহলে আমরা তাহাকে দেখিনা কেন? কেন তাহাকে অনুভব করি না? এর একমাত্র যুক্তিসংগত কারন হইল, মা বলে কিছু নাই।”
দ্বিতীয় জন উত্তর দিলো, ” মাঝে মাঝে, যদি তুমি নিরব থাকিয়া মনোযোগ সহকারে খেয়াল করিয়া থাক, তুমি তাহার অস্তিত্ব অনুভব করিবে, তুমি তাহাকে শুনিতে পাইবে….যে তাহার মায়াভরা কন্ঠে আমাদের উপর হইতে ডাকিতেছে।”

(সংগৃহীত)

বিজয় দিবসেই জন্ম নিয়েছিলেন আরেক ‘বিজয়’

Ononto_Digonto_1229362542_1-muktijodha_sm

মোড়ের দোকানে বসে চা খাচ্ছিলেন একজন বৃদ্ধ লোক। কেবল ই চা। সাথে অন্যকিছু খাবার মত আর্থিক সামর্থ তার ছিল না। ছোট ছোট পতাকায় দোকানটা আজ বেশ সাজানো। লাউড স্পীকারে একের পরে এক দেশাত্মবোধক গান বেজে চলছে।
বিজয় দিবস আসলেই বৃদ্ধ অস্থির হয়ে উঠেন।
স্মৃতির কুয়াশাগুলো আস্তে আস্তে নেমে আসে, তার কিছুই ভালো লাগে না।
ওয়েটার কে বিলটা জিজ্ঞেস করলেন তিনি।
টাকার অংক শুনে হুঁশ প্রায় হারিয়ে ফেললেন।
– এতো টাকা কি করে হবে, আমিতো মাত্র এক কাপ চা খেয়েছি।
– ওই টেবিলের ভাইজানরা বলেছেন যে তাদের বিলটা ও আপনি দেবেন।
– তাদের বিল আমি কেন দেব?
– আজকে বিজয় দিবস, সে কারনে তারা তাদের বিল আপনার কাছ থেকে নিতে বলেছেন।
– বিজয় দিবস বলে কি আমাকে ফাইন করা হচ্ছে?
বৃদ্ধ একটু জোরেই বলে উঠলেন।
– মনে করেন সেটাই।
সেই টেবিল থেকে একজন যুবক উঠলো,
তার কথা শুনে টেবিলের বাকিরা খ্যাঁক খ্যাঁক করে হেসে উঠলো।
– আপনি যে একাত্তরে যুদ্ধ করেন নি সে কারনে আপনাকে এই কাফফারা দিতে হবে।
আবার সবাই হেসে উঠলো।
বৃদ্ধ আস্তে আস্তে উঠে সেই টেবিলের সামনে গিয়ে দাড়িয়ে তার পরা সার্টটা খুলে দৃঢ় ভঙ্গীতে দাঁড়ালেন।
তার বুকের দিকে তাকিয়ে সবার মুখ হা হয়ে গেল।
বুকের জমিন থেকে চার খাবলা মাংস উধাও, কেউ যেন খুবলে খেয়ে নিয়েছে।
ক্ষতগুলো একটা সমান্তরাল লাইনে, একদম হৃদপিণ্ডের সীমানায় গিয়ে শেষ হয়েছে।
বীভৎস এক দৃশ্য, বুঝা যায় যে ক্ষত গুলো মেশিনগানের গুলীর।
বৃদ্ধ অনেক আদরের সাথে শেষ ক্ষতটার উপরে আঙ্গুল রাখলেন।
– এই গুলীটা আমার সাথে বেইমানী করেছিল, আরেকটু ওই পাশে লাগলে এই কষ্টের জীবনটা বয়ে বেড়াতে হত না।
দোকানের বাকি সব খদ্দের ও প্রথমে অবাক ও পরে শ্রদ্ধার চোখে তাকিয়ে রইলো।
বৃদ্ধ তার সার্টটা পরে আস্তে আস্তে দোকান থেকে বেরিয়ে গেলেন।

 

 

সুখী জীবনের জন্য ২৫ টি টিপসঃ

১. প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটুন৷
২. নির্জন কোন স্থানে একাকী অন্তত ১০
মিনিট কাটান ও নিজেকে নিয়ে ভাবুন৷
৩. ঘুম থেকে উঠেই প্রকৃতির নির্মল পরিবেশে
থাকার চেষ্টা করুন। সারা দিনের করণীয় গুলো সম্পর্কে মনস্থির করুন।
৪. নির্ভরযোগ্য প্রাকৃতিক উপাদানে ঘরে
তৈরি খাবার বেশি খাবেন আর প্রক্রিয়াজাত
খাবার কম খাবেন।
৫. সবুজ চা এবং পর্যাপ্ত পানি পান করুন।
৬. প্রতিদিন অন্তত ৩ জনের মুখে হাসি ফোটানোর চেষ্টা করুন।
৭. গালগপ্প, অতীতের স্মৃতি, বাজে চিন্তা
করে আপনার মূল্যবান সময় এবং শক্তি অপচয়
করবেন না। ভাল কাজে সময় ও শক্তি ব্যয় করুন।
৮. সকালের নাস্তা রাজার মত, দুপুরের খাবার প্রজার মত এবং রাতের খাবার খাবেন ভিক্ষুকের মত।
৯. জীবন সব সময় সমান যায় না, তবুও ভাল
কিছুর অপেক্ষা করতে শিখুন।
১০. অন্যকে ঘৃনা করে সময় নষ্ট করার জন্য
জীবন খুব ছোট, সকলকে ক্ষমা করে দিন সব কিছুর জন্য।
১১. কঠিন করে কোন বিষয় ভাববেন না। সকল
বিষয়ের সহজ সমাধান চিন্তা করুন।
১২. সব তর্কে জিততে হবে এমন নয়, তবে
মতামত হিসাবে মেনে নিতে পারেন আবার
নাও মেনে নিতে পারেন। ১৩. আপনার অতীতকে শান্তভাবে চিন্তা করুন,
ভূলগুলো শুধরে নিন। অতীতের জন্য বর্তমানকে
নষ্ট করবেন না।
১৪. অন্যের জীবনের সাথে নিজের জীবন
তুলনা করবেন না।
১৫. কেউ আপনার সুখের দায়িত্ব নিয়ে বসে নেই। আপনার কাজই
আপনাকে সুখ এনে দেবে।
১৬. প্রতি ৫ বছরমেয়াদী পরিকল্পনা করুন
এবং ওই সময়ের মধ্যেই তা বাস্তবায়ন করুন।
১৭. গরীবকে সাহায্য করুন। দাতা হোন,
গ্রহীতা নয়।
১৮. অন্য লোকে আপনাকে কি ভাবছে তা নিয়ে মাথা ঘামানোর দরকার নেই বরং অাপনি
অাপনাকে কি ভাবছেন সেটা মুল্যায়ন করুন ও
সঠিক কাজটি করুন।
১৯. কষ্ট পুষে রাখবেন না। কারণ সময়ের
স্রোতে সব কষ্ট ভেসে যায় তাই কষ্টের
ব্যাপারে খোলামেলা অালাপ করুন ও ঘনিষ্টদের সাথে শেয়ার করুন।
২০. মনে রাখবেন সময় যতই ভাল বা খারাপ
হোক তা বদলাবেই।
২১. অসুস্থ হলে আপনার ব্যবসা বা চাকুরী অন্য
কেউ দেখভাল করবে না। করবে বন্ধু কিংবা
নিকটাত্মীয়রা, তাদের সাথে সম্পর্ক বজায় রাখুন।২২. ফেইসবুক অনেক সময় নষ্ট করে।
পোষ্টটি পড়তে পড়তেই অনেক খানি সময় নষ্ট
করেছেন। ফেইসবুকে আপনার সময় নির্দিষ্ট
করুন।কতক্ষণ সময় থাকবেন এখানে।
২৩. প্রতি রাত ঘুমানোর আগে আপনার জীবনের
জন্য বাবা মাকে মনে মনে ধন্যবাদ দিন। ২৪. মনে রাখুন
জীবনের কোন কোন ভুলের জন্য
আপনি ক্ষমা পেয়েছেন। সেসব ভুল আর যেন না
হয় তার জন্য সতর্ক থাকুন।
২৫. আপনার বন্ধুদেরও তথ্যগুলো জানান, যেন
তারাও আপনার ভাল দিকগুলো সম্পর্কে জানেন
এবং আপনাকে আপনার মত করে চলতে দেয়।
************************************************
আমাদের পোষ্ট গুলো আপনাদের ভালো লাগলে (Thanks) অথবা T লিখে কমেন্ট করবেন আসা করছি।আপনাদের কমেন্ট দেখলে আমরা ভাল ভাল পোষ্ট দিতে সাহস পাই।
সবাই লাইক ও শেয়ার করে আপনার বন্ধুদের দেখার সুযোগ করে দিন। আপনার শেয়ারেও কেউ উপকৃত হবে!প্রতিদিন ডাক্তারি সকল প্রকার সেবা পেতে আমাদের পেইজে লাইক দিন।। ধন্যবাদ।

 

 

 

23559617_1754632824547923_2835382537593175531_n

হাজারো পুরুষের আত্মকাহিনী”
.
ছেলেরা মাসে ৭০০০ টাকা বেতনে চাকরী করে!
বাবার জন্য ১০০০,!
মা’র জন্য ১০০০,!
বউয়ের জন্য ১০০০ টাকা!
ফেমিলি চালানোর ২০০০ বিকাশ
করেও!
দিব্যি ২০০০ টাকায় মাস চালিয়ে নিতে
জানে।
মাসে ৭০০০ টাকা মাইনের ছেলেটা বেতন পেয়ে!
বউয়ের কাছে ফোনে বলতে জানে ” ওগো
তোমার জন্য কি
পাঠাবো? ”
সামান্য বেতন পাওয়া যে ছেলেটা নিজের পুরনো
জুতো
বদলাবে বলে ঠিক করেছে , সেই ছেলেটাই
মার্কেটে
গিয়ে বউ আর বাবুর
জন্য জুতো কিনে নিজের ছেঁড়াজুতো সেলাই
করে
মাসের
পর মাস পড়তে
জানে।
উপোস পেটে কাজে গিয়েও মাকে বলতে
জানে
‘আমি
মাছ দিয়ে
ভাত খেয়েছি তোমরা খেয়েছোতো’,
১০৩ ডিগ্রী জ্বর নিয়ে কাজে গিয়েও বাবাকে
বলে
‘আমি অনেক ভাল আছি তোমরা ভাল আছোতো?
নিজের পকেট ফাঁকা জেনেও বউকে বলে ‘ একটু
ধৈর্য্য
ধরো সামনের মাসে তোমার জন্য একজোড়া বালা
কিনে
দিব’,,,
ছেলেরা এমনই, অনেক অনেক কিছু জানে,,,
সকালবেলা লোকাল বাসে ঝোলে অফিসে
যেতে
জানে,
লেট হলে বসের ঝাড়ি খেতে জানে,
৫ টার অফিস রাত ৮ টা পর্যন্ত করতে জানে,
অফিস থেকে ফিরতে লেট হলে বউয়ের কাছে
জবাব
দিতে জানে,
রিক্সা ভাড়া বাঁচিয়ে হেঁটে হেঁটে বাড়ি আসার
পথে
বাবুর জন্য মজা
কিনতেও জানে।
শুধু জানে না প্রকাশ্যে চোখের জল ফেলতে
ভালো লাগলে পিলিজ কেও কমেন্ট করতে
ভুলবেন না।

 

24177111_1769542083056997_630169479050447329_n

 

সংসারী ছেলে মা কে ডেকে বলছে……… “মা একটা কথা বলি?আমার একটা অনুরোধ রাখবে?”

মা-“তুই চাইলে আমি কি না করতে পারি?বল তোর সব কথা আমি রাখবো।”

“তোমার বৌমা বলছিলো…তোমার তো বয়স হয়েছে।এখন তো তোমার শরীরের একটু বিশ্রাম প্রয়োজন… আর এই বাড়িটা তো খুব একটা ভালো না। ছোট ঘুপচি……. তোমার কাশিটাও বেড়ে গেছে। আরো তো ডায়বেটিকস আছেই, হার্টের সমস্যা, হাড়ের সমস্যা আরো কতো কি!”

মা:”হ্যাঁ রে… মনে হয় আর বেশিদিন…”

” আহ… থামো তো মা। তোমার সবসময় দেখাশোনার জন্য কাউকে রাখতে হবে। আচ্ছা তোমাকে তাহলে গ্রামের বাড়িতে… না না ওই যে বৃদ্ধাশ্রমের স্পেশাল ব্র্যাঞ্চে ভর্তি করালে কেমন হয়?……এটাই বলছিলো তোমার বৌমা। ওখানে অনেকে থাকবে তোমার মতোই। তাদের সাথে গল্প করতে পারবে আর এ বাড়িতে তো কেউই নাই, আমি ব্যাবসায় দৌড়াচ্ছি, তোমার বৌমা অফিসে আর মিঠু তো সারাদিনই স্কুলে।ওখানে তুমি আরামেই থাকবে মা।……. মা এটাই আমার . . মানে আমাদের অনুরোধ ছিলো।”

“আচ্ছা তুই চাইলে তাই হবে”।

“থ্যাংকস মা……আচ্ছা কালকে বিকেলেই কিন্তু তাহলে ওখানে যাচ্ছো। তোমার ব্যাগ গুছিয়ে রাখবে।”

পরের দিন:অস্বস্তিকর জ্যামে আটকে আছে মা-ছেলে।নীরবতা ভাঙলেন মা…….

“বাবা ওখানে আমাকে দেখতে যাবি তো ?পারলে একটা ফোন কিনে দিস আমাকে…”

” হা হা হা …মা তুমি ফোন দিয়ে কি করবে ?আহা… ওখানে ফোন আছে তো……”

কিছুক্ষন পরে একটা পাঁচতলা বাড়ির সামনে এসে গাড়ি থামালো। আবার বেশকিছুক্ষন নিরব থেকে এবার ছেলে বলে উঠলো…

“নামো মা….. এটাই তো ওই বৃদ্ধাশ্রম মা।দেখেছো! বলেছিলাম না তোমার পছন্দ হবে।তোমার জন্য দোতালার দক্ষিনের ঘরটা বুকিং করে রেখেছি।”
.

টিং ডং টিং ডং(দরজা খুললো)

“হ্যাপি বার্থ ডে টু ইউ ! !
হ্যাপি বার্থ ডে টু ইউ ‘মা’ ! ! !”
.

দরজা খুলতেই চমকে গেলেন মা। আরে ওই তো তার একমাত্র নাতি আর বৌমা বিশাল একটা কেক নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। এতো বেলুন আগে কখনো দেখেননি । এতো আয়োজন করে কখনো কেউ তাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছাও জানায় নি। আরে ওই তো তার দুই মেয়ে আর তাদের জামাই দাঁড়িয়ে। ওদেরও ডেকে এনেছে তার পাগল ছেলেটা।

” হ্যাপি বার্থ ডে মা”

মা:”তুই অনেক বড় হয়ে গেছিস (কান্নাভেজা কন্ঠে)
কিন্তু এটা কার ঘর?”

” বাড়ির ফলকে নাম দেখোনি! বাবার নামে রেখেছি । মা পুরো বাড়িটাই আমাদের। এবার তুমি আরামে থাকতে পারবে মা।

“তুই না ! !এমন কি কেউ করে?(কান্না ভেজা চোখে জোরে জোরে মাথা নাড়ছেন। আনন্দে কথা বলতে পারছেন না)

পার্টি শেষে ঘুমাতে যাবে এমন সময় পেছন থেকে মায়ের ডাক। হাতের ব্যাগটা আঁতিপাঁতি খুঁজে একটা কৌটা বের করে ছেলের হাতে ধরিয়ে দিলেন।

” নে এটার আর দরকার হবে না। ইঁদুরের বিষ ! চিন্তা করেছিলাম যদি বৃদ্ধাশ্রমে রেখে আসিস তাহলে সেদিনই খেয়ে নেবো।”

“ধুর মা কি যে বলো !এটায় তো সেসব আমি কাল রাতেই পাল্টে তোমার ক্যালসিয়ামের ওষুধ ভরে রেখেছি। তুমি ঘুমাও।”
মার আজ আর কিছুই চাওয়ার নেই। আর কিছু না হোক তার ছেলেকে অন্তত মানুষ করতে পেরেছে সে। যাক আজকের ঘুমটা সত্যিই আরামের হবে, ঘুমের ঔষুধ খেতে হবে না ।

আমার গল্প ভাল লাগলে I LOVE U MA,, লিখতে ভুলবেন না

 

Wishes…..

The girl’s name is rahimā. In the court building, I would have paid a life in the building. And I’d like to pay for a long time. I’d like to have a long time to give me my money, I wouldn’t have to eat. And so crying, I don’t eat the beggars, so I didn’t eat it. So I said to her, so I said to you, I’d like to give you a element, what will you do? Rahimā said that I had a dream to give a blanket for my sister, sister like my mother. So I bought a blanket with myself.

I’m so peaceful to do this.

Everyone pray for the rahimā, as if they don’t get hurt in this winter…।।

May Allah bless your mercy on them..।

(Amen)

24058862_1550327011719164_86553669265266260_n

ইচ্ছা পূরন…..

মেয়েটির নাম রহিমা। কোর্ট বিল্ডিং এ ভিক্ষা করে জীবন চালায়। আর সবার মত আমিও মাঝে মাঝে টাকা দিতাম। এভাবে অনেক দিন ধরে পরিচয় । আজকে হঠাৎ আমি টাকা দিতে চাইলে রহিমা আমাকে ডাব খাওয়াইতে চাইল , আমি বিনীতভাবে বললাম খাব না। ও খুব কান্না করে বলছে আমি ফকির তাই খাবেন না। খুব খারাপ লাগলো ওর কথা শুনে নিজের কাছে, তাই ডাব খেলাম। এরপর আমি বললাম এবার আমি তোমাকে একটা উপাহার দিতে চাই, তুৃমি কি নেবে, তোমার কি লাগবে? রহিমা খুব কান্না করে বলেছিল, আমার বোনের জন্য একটা কম্বল দেয়ার স্বপ্ন ছিলো, বোনটি আমার মায়ের মত। তাই আমি নিজের সাথে নিয়ে গিয়ে একটা কম্বল কিনে দিলাম।

এটা করতে পেরে আমার খুব শান্তি লাগছে।

সকলে রহিমাদের জন্য দোয়া করবেন, এই শীতে যেন ওরা কষ্ট না পায়…।।

আল্লাহ তুমি এদের উপর তোমার রহমত বর্ষন কর..।

 

 

23844504_1167464626720050_5307222289202918127_n

৩০ ডিসেম্বর ২০০৬,তখন মধ্যরাত। ইরাকী নেতা সাদ্দাম হোসাইনকে ফাঁসিতে ঝোলানো হবে কয়েক ঘন্টা পর। সব আয়োজন যখন চূড়ান্ত, তখন কারাগারের নিরাপত্তারক্ষীক
ে ডাকলেন সাদ্দাম। তাকে বললেন, আমার ব্যবহৃত কোট নিয়ে এসো, সেটি গায়ে দিয়ে আমি ফাঁসির মঞ্চে যাবো। প্রহরীর চোখে বিস্ময়, জীবনের শেষ মূহূর্তে কোট চাওয়ার অর্থ কী?

সাদ্দাম হোসাইন বলেছিলেন, ইরাকে এখন শীতকাল, ফাঁসির মঞ্চে যাওয়ার কালে মধ্যরাতের ঠান্ডায় যদি আমার শরীর কাঁপে, তবে আমার জাতি ভাববে, সাদ্দাম হোসাইন মৃত্যুর ভয়ে কেঁপেছিল। আমি তা বলার সুযোগ দেব না। কোট গায়ে থাকলে সেই ঠান্ডা আমাকে স্পর্শ করবে না। যাও, কোট নিয়ে আসো।এ মানুষটির অভাব আরব দেশ সহো তামাম মুসলিম উম্মাহ হারে,হারে অনুভব করছেন!

অাসুন বন্ধুরা,অামরা সকলেই মুসলিম বিশ্বের এই অকুতোভয় বীরসেনানীর জন্য মহান অাল্লাহর দরবারে তার রুহের মাগফিরাত কামনা করি, অাল্লাহ যেন তাকে জান্নাতের উচ্চ মাকাম দান করেন।
(অামীন) ।।।।

 

এক ছেলে তার বাবাকে বলছে,
সামনের মাসে আমার পরীক্ষার ফলা ফল দিবে।
আমি A+ পেলে আমাকে একটা মটর বাইক কিনে দিতে হবে।
পরীক্ষার ফলাফল যে দিন বের হয় তখন ছেলে খুব খুশী হয়ে
বাবার কাছে এসে বলছে বাবা আমি A+ পেয়েছি।
এইবার কিন্তু আমাকে বাইক একটা কিনে দিতেই হবে।
বাবার চোখে গোপনে কান্না আসলো, ভাবতে লাগলেন কিভাবে ছেলেকে খুশী করা যায়।
এরপর বাবা বললেন,আমি তোমার উপহার
তোমার পড়ার টেবিলের উপর রেখে এসেছি।
ছেলে গিয়ে দেখল একটা বাক্স,
ছেলে ভাবতে লাগল এইটাতে চাবি আছে।
কিন্তু খুলে দেখে এর ভেতরে একটা কোরআন শরীফ।
ছেলে রাগ করে বাবার সাথে কথা বলা বন্ধ করে দিল।
এবং কয়েকদিন পরেই বিদেশে চলে গেল
পড়ালেখা করার জন্য।
বিদেশে যাওয়ার পর বাবার সাথে
কোন যোগাযোগ করে নাই ছেলেটা।
কয়েক বছর পর একদিন কল আসল ছেলেটির কাছে।
জানতে পারল বাবা খুব অসুস্থ, বাবা তার জন্য কান্নাকাটি করে সবসময় ।
কিন্তু ছেলেটি বাবাকে দেখতে যায়নি
কয়েক দিন পর ছেলেটির কাছে আরেকটি কল আসে।
জানতে পারল তার বাবা মারা গেছেন।
বাবা,র মারা যাবার পর ছেলেটি দেশে আসে
কারণ ঘরবাড়ি সব তার নামে করে দিয়ে গেছেন তার বাবা।
এবং এই -সবকিছু তাকেই দেখাশোনা করতে হবে।
তার পর একদিন ছেলেটির তার বাবার কথা মনে পড়ল এবং বাবার ঘরে গিয়ে কাঁদতে লাগল।
হঠাৎ দেখল তার বাবার পড়ার টেবিলে উপরে সেই বাক্স,
যে বাক্স তার বাবা তাকে দিয়েছিলেন উপহার হিসেবে।
ছেলে উজু করে এসে কোরআন শরীফটা
খুলে পড়তে লাগল।হঠাৎ করেই কোরান শরোফের ভেতর থেকে একটা চাবি পড়ল।
প্রথম দিনের চাবি।
এবং একটা চিঠি পেল।
যেখানে লিখা ছিল,
বাবা আমি অনেক খুশি যে তুমি A+পেয়েছ।
আমি চাইব তুমি আল্লাহর পরীক্ষাতেও এই ভাবে A+ পাও।
আর এই চাবিটা হচ্ছে তোমার নতুন মটর বাইকের চাবি,
আমাদের গ্যারেজে রাখা আছে তোমার নতুন বাইক।
ছেলেটির চোখে জল চলে আসলো।
ভাবতে লাগলো আমার বাবা আমার জন্য তখনি বাইক কিনে চাবিটা
কোরআন শরীফে রেখে দিয়েছিলো।
ছেলেটি গ্যারেজে গেল এবং দেখতে পেল
তার সবচেয়ে পছন্দের বাইক সেখানে রাখা।
দেখে কান্না আর ধরে রাখতে পারলোনা।
আসলে পৃথিবীর কোন বাবা তার সন্তানের
অকল্যান চায়না,।
বাবা মাকে কখনো কষ্ট দেবেনা।
বাবা মা আমাদের সবচয়ে আপনজন

fruit-basket_png_one

ফল বিক্রেতার কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করল,
ক্রেতা: আপেলের কেজি কত?
বিক্রেতা: ১০ রিয়াল।
ক্রেতা: কলা?
বিক্রেতা: ৮ রিয়াল
ক্রেতা: কমলা?
বিক্রেতা: ৬ রিয়াল।
ক্রেতা-বিক্রেতা দামাদামী চলছে এমন সময় জনৈক বয়স্ক মহিলা দোকানে ঢুকেই জিজ্ঞেস করল,
মহিলা: আপেলের কেজি কত?
বিক্রেতা: ৩ রিয়াল।
মহিলা: কলা?
বিক্রেতা: ২ রিয়াল
মহিলা: কমলা?
বিক্রেতা: ২ রিয়াল।
মহিলাটি বলল, এগুলো ১ কেজি করে আমাকে দিন।
ওদিকে পুরুষ ক্রেতাটি তো হতবাক। চোখ রাঙিয়ে দোকানদারকে কিছু বলতে যাবে, এমন সময় সে চোখের ইশারা দিয়ে বলল, একটু অপেক্ষা করুন।
মহিলাটি দাম চুকিয়ে দোকান থেকে বিদায় নেয়ার পর দোকানদার বলল,
ভাই! আমার উপর খারাপ ধারণা করবেন না। আমাকে অস‍‌ৎ ও ধোকাবাজ মনে করবেন না। আল্লাহর কসম আমি আপনাকে প্রতারণা করতে চাইনি।
এই মহিলাটি কয়েকজন ‘ইয়াতীম’ বাচ্চার মাতা। আমি জানি তারা অভাবী পরিবার। ঐ ইয়াতীমগুলোর জন্য আমি মহিলাটিকে বিভিন্নভাবে সহায়তার কথা বলেছি। কিন্তু মহিলাটি তা প্রত্যাখ্যান করেছে। সে চায় তার সন্তানরা যেন কারো গলগ্রহ না হয়। কারো কাছে হাত বাড়াতে না হয়।
তাই তাদেরকে সহযোগিতা করার জন্য অনেক ভেবে-চিন্তে আমি এই পন্থা অবলম্বন করেছি। যেন বুঝতে পারে যে, সে কারো মুখাপেক্ষী নয়।
এর মাধ্যমে আমি আমার রবের সাথে ব্যবসা করতে চেয়েছি। সামান্য কিছু হলেও এই অভাবী মহিলা এবং তার ইয়াতীমগুলোর খেদমত করতে চেয়েছি। আমার আমল নামায় কিছু ছোয়াব যেন আল্লাহ লিখে দেন।
আল্লাহর কসম, সপ্তাহে সে মাত্র ১বার আসে। আর যেদিন সে আমার নিকট থেকে ক্রয় করে নিয়ে যায়… সেদিন আমার প্রচুর ব্যবসা হয়। অনেক লাভবান হই। কিভাবে যে আমার কাছে রিযিক আসে আমি অনুভব করতে পারি না।
ঘটনা শুনে পুরুষ ক্রেতাটির চক্ষু দুটি অশ্রুসিক্ত হয়ে উঠল। দোকানদারের মাথায় চুম্বন করে বলল, আল্লাহ তোমাকে উত্তম বিনিময় দান করুন।
ফল বিক্রেতার কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করল,
ক্রেতা: আপেলের কেজি কত?
বিক্রেতা: ১০ রিয়াল।
ক্রেতা: কলা?
বিক্রেতা: ৮ রিয়াল
ক্রেতা: কমলা?
বিক্রেতা: ৬ রিয়াল।
ক্রেতা-বিক্রেতা দামাদামী চলছে এমন সময় জনৈক বয়স্ক মহিলা দোকানে ঢুকেই জিজ্ঞেস করল,
মহিলা: আপেলের কেজি কত?
বিক্রেতা: ৩ রিয়াল।
মহিলা: কলা?
বিক্রেতা: ২ রিয়াল
মহিলা: কমলা?
বিক্রেতা: ২ রিয়াল।
মহিলাটি বলল, এগুলো ১ কেজি করে আমাকে দিন।
ওদিকে পুরুষ ক্রেতাটি তো হতবাক। চোখ রাঙিয়ে দোকানদারকে কিছু বলতে যাবে, এমন সময় সে চোখের ইশারা দিয়ে বলল, একটু অপেক্ষা করুন।
মহিলাটি দাম চুকিয়ে দোকান থেকে বিদায় নেয়ার পর দোকানদার বলল,
ভাই! আমার উপর খারাপ ধারণা করবেন না। আমাকে অস‍‌ৎ ও ধোকাবাজ মনে করবেন না। আল্লাহর কসম আমি আপনাকে প্রতারণা করতে চাইনি।
এই মহিলাটি কয়েকজন ‘ইয়াতীম’ বাচ্চার মাতা। আমি জানি তারা অভাবী পরিবার। ঐ ইয়াতীমগুলোর জন্য আমি মহিলাটিকে বিভিন্নভাবে সহায়তার কথা বলেছি। কিন্তু মহিলাটি তা প্রত্যাখ্যান করেছে। সে চায় তার সন্তানরা যেন কারো গলগ্রহ না হয়। কারো কাছে হাত বাড়াতে না হয়।
তাই তাদেরকে সহযোগিতা করার জন্য অনেক ভেবে-চিন্তে আমি এই পন্থা অবলম্বন করেছি। যেন বুঝতে পারে যে, সে কারো মুখাপেক্ষী নয়।
এর মাধ্যমে আমি আমার রবের সাথে ব্যবসা করতে চেয়েছি। সামান্য কিছু হলেও এই অভাবী মহিলা এবং তার ইয়াতীমগুলোর খেদমত করতে চেয়েছি। আমার আমল নামায় কিছু ছোয়াব যেন আল্লাহ লিখে দেন।
আল্লাহর কসম, সপ্তাহে সে মাত্র ১বার আসে। আর যেদিন সে আমার নিকট থেকে ক্রয় করে নিয়ে যায়… সেদিন আমার প্রচুর ব্যবসা হয়। অনেক লাভবান হই। কিভাবে যে আমার কাছে রিযিক আসে আমি অনুভব করতে পারি না।
ঘটনা শুনে পুরুষ ক্রেতাটির চক্ষু দুটি অশ্রুসিক্ত হয়ে উঠল। দোকানদারের মাথায় চুম্বন করে বলল, আল্লাহ তোমাকে উত্তম বিনিময় দান করুন।
ফল বিক্রেতার কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করল,
ক্রেতা: আপেলের কেজি কত?
বিক্রেতা: ১০ রিয়াল।
ক্রেতা: কলা?
বিক্রেতা: ৮ রিয়াল
ক্রেতা: কমলা?
বিক্রেতা: ৬ রিয়াল।
ক্রেতা-বিক্রেতা দামাদামী চলছে এমন সময় জনৈক বয়স্ক মহিলা দোকানে ঢুকেই জিজ্ঞেস করল,
মহিলা: আপেলের কেজি কত?
বিক্রেতা: ৩ রিয়াল।
মহিলা: কলা?
বিক্রেতা: ২ রিয়াল
মহিলা: কমলা?
বিক্রেতা: ২ রিয়াল।
মহিলাটি বলল, এগুলো ১ কেজি করে আমাকে দিন।
ওদিকে পুরুষ ক্রেতাটি তো হতবাক। চোখ রাঙিয়ে দোকানদারকে কিছু বলতে যাবে, এমন সময় সে চোখের ইশারা দিয়ে বলল, একটু অপেক্ষা করুন।
মহিলাটি দাম চুকিয়ে দোকান থেকে বিদায় নেয়ার পর দোকানদার বলল,
ভাই! আমার উপর খারাপ ধারণা করবেন না। আমাকে অস‍‌ৎ ও ধোকাবাজ মনে করবেন না। আল্লাহর কসম আমি আপনাকে প্রতারণা করতে চাইনি।
এই মহিলাটি কয়েকজন ‘ইয়াতীম’ বাচ্চার মাতা। আমি জানি তারা অভাবী পরিবার। ঐ ইয়াতীমগুলোর জন্য আমি মহিলাটিকে বিভিন্নভাবে সহায়তার কথা বলেছি। কিন্তু মহিলাটি তা প্রত্যাখ্যান করেছে। সে চায় তার সন্তানরা যেন কারো গলগ্রহ না হয়। কারো কাছে হাত বাড়াতে না হয়।
তাই তাদেরকে সহযোগিতা করার জন্য অনেক ভেবে-চিন্তে আমি এই পন্থা অবলম্বন করেছি। যেন বুঝতে পারে যে, সে কারো মুখাপেক্ষী নয়।
এর মাধ্যমে আমি আমার রবের সাথে ব্যবসা করতে চেয়েছি। সামান্য কিছু হলেও এই অভাবী মহিলা এবং তার ইয়াতীমগুলোর খেদমত করতে চেয়েছি। আমার আমল নামায় কিছু ছোয়াব যেন আল্লাহ লিখে দেন।
আল্লাহর কসম, সপ্তাহে সে মাত্র ১বার আসে। আর যেদিন সে আমার নিকট থেকে ক্রয় করে নিয়ে যায়… সেদিন আমার প্রচুর ব্যবসা হয়। অনেক লাভবান হই। কিভাবে যে আমার কাছে রিযিক আসে আমি অনুভব করতে পারি না।
ঘটনা শুনে পুরুষ ক্রেতাটির চক্ষু দুটি অশ্রুসিক্ত হয়ে উঠল। দোকানদারের মাথায় চুম্বন করে বলল, আল্লাহ তোমাকে উত্তম বিনিময় দান করুন।

18268529_285179148592009_6512477453175719490_n

চুলের রং কালো,কোরানের অক্ষর কালো,চোখের মনি কালো,চোখ দুটি বন্ধ করলে সারা দুনিয়া কালো,গায়ের রং কালো হলে অপরাধ কোথায় ? মনের সুন্দর্য্যই সব চেয়ে বড় সুন্দর্য্য।

18194148_928952493913136_3725118582156272439_n

বায়তুল মোকাররম (1980)

18268374_928951213913264_2353322731042841670_n

১৪৪ ধারা এড়াতে ভাসানীর গায়েবানা জানাজার ঘটনা ঘটেছিল এর কয়েক সপ্তাহ আগে, ডিসেম্বর ৬৮-এ গণআন্দোলন শুরুর সূচনায়। অটোশ্রমিকদের হরতাল কেন্দ্র করে পুলিশ গুলি চালালে কয়েক জন নিহত হলে সরকার ঝামেলা এড়াতে ১৪৪ ধারা জারি করেছিল। ভাসানী বায়তুল মোকাররামে হাজির হলে পুলিশ কর্তারা তাকে সরানোর চেষ্টা করতেই তিনি গায়ের চাদর ফেলে গায়েবানা জানাজা পড়া শুরু করেদেন। সে সময়ে পাকিস্তানের মিঁয়া ইফতিেখার উদ্দীনের ছেলে আরিফ ইফতিখার ঢাকাতে ছিলেন। এর পরে ভাসানী গায়েবানা জানাজা পড়িয়েছিলেন ১৫ ফেব্রুয়ারি সার্জেন্ট জহুরুল হক নিহত হলে।

10351830_510209702454086_156600727300381534_n

১৯০৫ সাল – ইসলামপুর ঢাকা
10922480_509437919197931_3407916283733320765_n
১৯০৪ সাল – লর্ড এবং লেডী কার্জন, শাহবাগ ১৯০৪
10931206_509437629197960_7839267573055257018_n
  ১৯৫২ এর ভাষা আন্দোলন ।
10917377_509437189198004_3034315440347241922_n
১৯৪৭ এর দেশভাগ
10805839_509434705864919_3739909042342635423_n
১৯০৪ সাল – আজিমপুর সলিমুল্লাহ মাদ্রাসা
10649798_514809681994088_1635085039594646315_n
এক ফ্রেমে তিন কিংবদন্তী। মহাত্মা গান্ধী, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী এবং শেখ মুজিব (চশমা চোখে)
1458473_510211622453894_3272472768958961809_n

আহসান মঞ্জিলে নবাব সলিমুল্লাহ (১৯০২)।

10943066_510211439120579_7179489203354799343_n
আহসান মঞ্জিল (১৯৭৫)
1486618_510211272453929_488855203812864340_n
আদমজী জুট মিল (১৯৫৭)
10885219_510211055787284_6083435222554562266_n
আদমজী জুট মিল (১৯৫৪)
10922671_508367509304972_9068125547725478574_n
ধোলাইখালের কাঠেরপুল। (১৮৭০)
10917464_508367292638327_3083370396226627684_n
১৮৯০ সাল – রেসকোর্স ময়দান
10552405_507990012676055_4223837263377932698_n
৬৯ এর গন আন্দোলনের সময় জনগনের রেলপথ অবরোধ , তেজগাঁও
10933974_507989216009468_7925456348080521278_n
 ২য়-বিশ্বযুদ্ধের-সময়-ঢাকায়-আমেরিকান-সৈন্য-১৯৪৫
18268421_931003907041328_7283501261055117091_n
বিটিভির সঙ্গীতানুষ্ঠানে স্বনামধন্য শিল্পী রুনা লায়লা। (early 1980s)
18199031_928953533913032_7462578514975847287_n
সিনেমা হল, গুলিস্থান, ঢাকা। (১৯৮৫)
604156_514809928660730_7728980015892625946_n

ওস্তাদ আলাউদ্দিন খান এবং জয়নুল আবেদিন , ঢাকা (১৯৫৫)

15941320_172142803268723_2209973836754425218_n

সবার কাছে অনুরোধ করছি আপনার ঘরে পরে থাকা পোরান শীতের কাপড়টা এদের মত যার শীত নিবারন করা মত কিছু নাই তাদেরকে দান করোন ? হয়তবা আগামী শীতে অন্য টা কিনে নিত পারবো আললাহ চায় তো

16195923_182301962252807_2062194070688630539_n

সুখ বা আনন্দ টাকা পয়সা দিয়ে কিনা যায় না নিজদের গড়ে নিতে হয় ? কোটি টাকাহাসি এদের মুখে সময় থাকতেনিজর সুখের দিন গুলি কাজে লাগান আমিও তাই করছি আপনাবাও করেন

 একটি ঘটনাঃ-
একদিন মা ফাতেমা (র:) হযরত আলী (র:) কে বলল, ঘরে কিছু সুতা কেটেছি, বাজারে বিক্রি করে ক্ষুধার্ত দু’সন্তান হাসান ও হোসেনের জন্য কিছু আটা কিনে নিয়ে আসেন, হযরত আলী (র:) সুতাগুলো নিয়ে বাজারে ৬ দিরহামে বিক্রি করলেন। এমন সময় এক অসহায় ছাহাবা হযরত আলী (র:) কে বলল আলী, কিছু দিরহাম কর্য হবে! আমার ঘরে বাচ্চারা না খেয়ে আছে। একথা শুনে হযরত আলী (র:) নিজের ঘরের কথা চিন্তা না করে সুতা বেচা ৬ দিরহাম ঐ অসহায় ছাহাবাকে দিয়ে দিলেন। কিছুক্ষন পর দেখল বাজারে এক ব্যক্তি একটি উট নিয়ে হযরত আলীর নিকট এসে বলল, আলী উট নিবে! হযরত আলী (র:) বলল নিব, কিন্তুু দিরহাম (টাকা) নাই।লোকটি বলল নাও, টাকা পরে দিলে চলবে। এ বলে লোকটি চলে গেল, কিছুক্ষন পর আর একটি লোক এসে হযরত আলী (র:)-কে বলল, আলী তোমার উটটি বিক্রি করবে, নগদ ৩০০ দিরহাম দিব। হযরত আলী (র:) বললেন নাও, নগদ ৩০০ দিরহাম দাও। হযরত আলী (র:) ৩০০ দিরহাম দিয়ে উটটি বিক্রি করে উটের আসল মালিককে খুঁজতে লাগল। কিন্তুু পুরো বাজারে উটের আসল মালিককে খুঁজে না পেয়ে ঘরে চলে আসল। ঘরে এসে দেখল, নবীজি (স:) মা ফাতেমার সাথে বসে আছেন। নবীজি (স:) মুচকি হাসি দিয়ে বললেন, আলী! উটের ঘটনা আমি বলব, নাকি তুমি বলবে! হযরত আলী (র:) হয়রান হয়ে বললেন, ইয়া রসুলাল্লাহ (স:) আপনি বলুন। নবীজি (স:) বললেন, আলী প্রথমে যে তোমাকে উট বাকীতে দিয়ে ছিল, সে হচ্ছে হযরত জিব্রাঈল (আ:) আর পরে ৩০০ দিরহাম দিয়ে যে উটটি কিনে ছিল, সে হযরত ইস্রাফিল (আ:)। উটটি ছিল জান্নাতের মা ফাতেমার, যা দিয়ে জান্নাতে মা ফাতেমা (র:) সওয়ার হবেন। তুমি যে অসহায় ছাহাবাকে সুতা বেচা ৬ দিরহাম কর্য দিয়েছিলে, তাহা আল্লাহর নিকট খুব পছন্দ হয়েছে, আর তাহার বদলে আল্লাহ দুনিয়াতেই তোমাকে কিছু দিয়ে দিয়েছেন। আমিন। (জামেউল মুজেজাত- ৪র্থ পৃষ্ঠা)

12670843_1210163745737235_1732792417594509015_n

পৃথিবীকাঁপানো এই বিখ্যাত মনিষীর
কাহিনী পড়ে আমি স্তম্ভিত হয়ে গেছি।
হায়রে মানব জীবন!
১৯৬১ সালে পুরো ভারতবর্ষে মাধ্যমিক
পরীক্ষায় প্রথম। এরপর ১৯৬৩ সালে
ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া
থেকে মাত্র দুবছরের মাঝে গণিতে
মাস্টার্স ডিগ্রী লাভ করে ১৯৬৯
সালে গণিতে পিএইচডি।
Reproducing Kernels and
Operators with a Cyclic Vector- এর
জনক হিসাবে স্বীকৃতি। ১৯৬৯ সালেই
নাসার গবেষক হিসাবে যোগদান করে
১৯৭৩ সালে দেশ সেবার মহানব্রত
নিয়ে ফিরে আসেন ভারতে। নাসা’তে
উনার অভূতপূর্ব সাফল্যের জন্য বলা
হয়েছিলো- গণিতে যদি কোনো নোবেল
পুরস্কার থাকতো তবে সেটা উনারই
প্রাপ্য হতো। আইআইটি সহ ভারতের
একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনায়
নিজেকে নিয়োজিত করেন। তারপর শুরু
হতে থাকে ধীরে ধীরে উনার মানসিক
ভারসাম্য হীনতা। তিনি সিজোফ্রেনিয়া নামক একটি রোগে আক্রান্ত হন। (এ রোগের বৈশিষ্ট্য হচ্ছে ভুলভাল শোনা, উদ্ভট, বিভ্রান্তিকর বা অলীক কিছু দেখা এবং অসঙ্গতিপূর্ণ কথাবার্তা এবং চিন্তাধারা এবং অনুভূতির প্রকাশের মধ্যে সঙ্গতি থাকে না। এ রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি সামাজিক বা কর্মক্ষেত্রে প্রায়শঃই অক্ষমতাজনিত অসুবিধার সম্মুখীন হন।)
উনি স্ত্রী, ঘর ,সংসার সবকিছু থেকে আলাদা হয়ে যান। প্রায় তিন বছর ব্যাঙ্গালোরের একটি মেডিকেলে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় ১৯৮৮
সালের পর থেকে একেবারেই নিঁখোজ ।
কারো সাথে কোনো যোগাযোগ নেই। কেউ
জানেনা উনি বেঁচে আছেন নাকি মারা
গেছেন।
তারপর, ১৯৯২ সালে উনাকে পাওয়া
যায় গৃহহীন হয়ে বিহারের রাস্তার
ফুটপাথে অর্ধউলঙ্গ হয়ে শুয়ে আছেন।
কোনো কথা নেই, কাউকে চিনেন না।
গণিতের অসংখ্য সূত্র যিনি পৃষ্ঠার পর
পৃষ্ঠা মুহুর্তেই বলে দিতে পারতেন-
সেই বিদ্বান, মনিষী, গণিত বিজ্ঞানী
নিজের নামটিও আর বলতে পারেননা।
শুধু ভারত নয় , ক্যালিফোর্নিয়া
বিশ্ববিদ্যালয়ে উনি একনামে পরিচিত
গণিত বিজ্ঞানী হিসাবে –
ড: বশিষ্ঠ নারায়ণ সিংহ।
Dr. VashishthaNarayanSingh।
বিহারে যখন উনাকে ভবঘুরে অবস্থায়
পাওয়া যায় তখনকার এই ছবি-
পুরো ভারতবর্ষের মানুষ বিশেষ করে
শিক্ষিতজন উনার এই ছবি দেখে চমকে
ওঠেছিলো। টাইমস অব ইন্ডিয়ায়
হেডলাইন হয়। পাটনার এক ঘরে এখন
তিনি বলতে গেলে একেবারে একাকী
জীবন যাপন করেন।এই অসামান্য গুণী
মানুষের জীবন কাহিনী পড়ে আমি
নিথর,নীরব, নিস্তব্ধ হয়ে গেছি।
হারিয়ে গেছি এক ভাবনার জগতে।
হায়!! মানব জীবন!! আমরা কত বেশি
অসহায়!!! কত রহস্যময় এই পৃথিবী।
কখন,কেমন করে,কীভাবে যে কি হয়ে
যায়। নিমিষেই বদলে যায় মানুষের
জীবন। এই রকম জীবন্ত একটা দৃষ্টান্ত
থেকে যদি শিখার কিছু না থাকে তবে
আমাদের চেয়ে হতভাগা আর কেউ নেই।
নিমিষেই সবকিছু চূর্ণ হয়ে যায়।…………….

দেশের সর্বোচ্চ আদালতে দায়িত্ব পালন করছেন সাত নারী বিচারপতি

justice20170307222855-1-500x260

দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগে দক্ষতা, যোগ্যতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন সাত নারী বিচারপতি। সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে দায়িত্ব পালন করছেন বিচারপতি নাজমুন আরা সুলতানা। অন্য ছয় বিচারপতি হাইকোর্ট বিভাগে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। তারা হলেন- বিচারপতি সালমা মাসুদ চৌধুরী, বিচারপতি ফারাহ মাহবুব, বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথ, বিচারপতি নাইমা হায়দার, বিচারপতি জিনাত আরা ও বিচারপতি কাশেফা হোসেন।

সর্বোচ্চ আদালতের শীর্ষ পর্যায়ে আসতে তাদের পার করতে হয়েছে নানা প্রতিকূলতা, বাধা-বিপত্তি। তবে সবকিছু জয় করে তারা এখন দেশের ও বিচার বিভাগের ইতিহাসের অংশ।

বিচারপতি নাজমুন আরা সুলতানা
১৯৫০ সালের ৮ জুলাই মৌলভীবাজারে জন্মগ্রহণ করেন বিচারতি নাজমুন আরা সুলতানা।বাবার নাম মরহুম চৌধুরী আবুল কাশেম মইনুদ্দিন। মায়ের নাম মরহুমা বেগম রাশিদা সুলতান দ্বীন।

শৈশব কাটিয়েছেন ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে। পরে ময়মনসিংহ সদরের বিদ্যাময়ী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৯৬৫ সালে মেট্রিকুলেশন, ১৯৬৭ সালে মুমিনুন্নেসা উইমেন্স কলেজ থেকে আইএ পাস করেন। তিনি ১৯৬৯ সালে আনন্দমোহন কলেজ থেকে বিএসসি ডিগ্রি লাভ করেন। এরপর ময়মনসিংহ ল’ কলেজে থেকে ১৯৭২ সালে এলএলবি ডিগ্রি নেন।

১৯৭৫ সালের আগে বিচার বিভাগে কোনো নারীর চাকরির সুযোগ ছিল না। নাজমুন আরা সুলতানাই প্রথম ১৯৭৫ সালের ২০ ডিসেম্বর সহকারী জজ হিসেবে নিয়োগ পান। তিনিই দেশের প্রথম নারী বিচারক। নিম্ন আদালত থেকে ধীরে ধীরে দেশের সর্বোচ্চ আদালতে তিনি পা রাখেন।

মুনসেফ হিসেবে নাজমুন আরা সুলতানা খুলনা, নারায়ণগঞ্জ ও টাঙ্গাইলে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮২ সালে সাবজজ হিসেবে পদোন্নতি পেয়ে তিনি টাঙ্গাইল, চাঁদপুর ও ফরিদপুরে কাজ করেন। কয়েক দফা পদোন্নতির পর ১৯৯১ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জেলা জজ হিসেবে যোগ দেন। কোনো নারীর জেলা জজ হওয়ার ঘটনা সেটাই প্রথম। ২০০০ সালের ২৮ মে তিনি হাইকোর্টে অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান। এর দুই বছর পর হাইকোর্টের স্থায়ী বিচারপতি হন তিনি। সর্বশেষ ২০১১ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি তিনি আপিল বিভাগের প্রথম নারী বিচারপতি হিসেবে শপথ নেন।

সেনানিবাসে খালেদা জিয়ার বাড়ি নিয়ে মামলা, বিএনপির আমলে বাদ পড়া ১০ বিচারপতির মামলা, আপিল বিভাগে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মামলায়ও তিনি বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন।

এছাড়া তিনি আন্তর্জাতিক নারী আইনজীবী সংস্থায় দু’বার সদস্য সচিব নিযুক্ত হন।

বিচারপতি সালমা মাসুদ চৌধুরী
আপিল বিভাগের মতো হাইকোর্ট বিভাগেও পিছিয়ে নেই নারী বিচারপতিরা। হাইকোর্টের বিচারপতি সালমা মাসুদ চৌধুরী তাদের একজন। সাবেক বিচারপতি এটিএম মাসুদ ও আমিনুন নেসার বড় সন্তান তিনি। ১৯৫৭ সালের ১৩ ডিসেম্বর জন্মগ্রহণ করেন সালমা মাসুদ চৌধুরী।

১৯৮১ সালের ২২ আগস্ট সালমা মাসুদ চৌধুরী ঢাকা জেলা জজ আদালতে আইন পেশায় আত্মনিয়োগ করেন। ১৯৮৩ সালের ২১ সেপ্টেম্বর তিনি হাইকোর্টের আইনজীবী হন। ১৯৯৬ সালের ১৪ মে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন।

সাফল্যের ধারাবাহিকতায় ২০০২ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি সালমা মাসুদ চৌধুরী হাইকোর্টের অতিরিক্ত বিচারক নিযুক্ত হন। এর দুই বছর পর তিনি হাইকোর্টের স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান।

সালমা মাসুদ চৌধুরী আইন চর্চার জন্য কমনওয়েলথ সচিবালয় কর্তৃক আয়োজিত মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে আইনসভা বিষয়ক ড্রাফটিং কোর্স করেন। পাকিস্তানের লাহোরে আন্তর্জাতিক নারী আইনজীবী সম্মেলনে তিনি তার লেখা ‘মুসলিম পারিবারিক আইন ও বাংলাদেশের নারী’ শিরোনামের গবেষণাপত্র উপস্থাপন করেন।

বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে ২৩তম আন্তর্জাতিক নারী আইনজীবী সংস্থা কর্তৃক আয়োজিত সম্মেলনে ‘ড্রাগ অ্যাবিউস অ্যান্ড রেমিডিয়াল মেজার্স ইন বাংলাদেশ’ রিপোর্ট উপস্থাপন করেন। এই রিপোর্ট তিনি কেনিয়ায়ও উপস্থাপন করেন।

বিচারপতি হওয়ার পর সরকারি উদ্যোগে তিনি ‘ইসলাম ও নারী’ শীর্ষক সম্মেলনে মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুর, ইন্দোনেশিয়ার জার্কাতা ও দক্ষিণ এশিয়ার ইসলামী আইনবিদদের সম্মেলনে যোগ দেন। এছাড়া কাঠমান্ডু ও লন্ডনে আন্তর্জাতিক নারী বিচারক সংস্থা আয়োজিত সম্মেলনে যোগ দেন তিনি। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ হার্ট ফাউন্ডেশনের ট্রাস্টি ও নির্বাহী সচিবের দায়িত্বে আছেন।

বিচারপতি জিনাত আরা
বিচারপতি জিনাত আরা মরহুম এইচএমআর সিদ্দিকী ও মরহুম বেগম আয়েশা সিদ্দিকীর মেয়ে। তিনি ১৯৫৩ সালের ১৫ মার্চ জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও স্কুল অব হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে ডিগ্রি লাভ করেন।

তিনি ১৯৭৮ সালের ৩ নভেম্বর বিচার বিভাগে মুনসেফ হিসেবে চাকরি শুরু করেন। এরপর ১৯৯৫ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর জেলা ও দায়রা জজ হিসেবে তিনি পদোন্নতি পান। এর ধারাবাহিকতায় ২০০৩ সালের ২৭ এপ্রিল তিনি হাইকোর্টের অতিরিক্ত বিচারক নিযুক্ত হন। ২০০৫ সালের ২৭ এপ্রিল তিনি হাইকোর্টের বিচারক পদে নিয়োগ পান।

তিনি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন স্কুল ও ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সার্টিফিকেট কোর্স করেন। এছাড়া আন্তর্জাতিক সেমিনার ও ট্রেনিংয়ের জন্য বেইজিং, সাংহাই, আমেরিকা, আর্জেন্টিনা, অস্ট্রেলিয়া, জার্মানি, ভারত, পাকিস্তান, পানামা, ফিলিপাইন, তাইওয়ান, শ্রীলঙ্কা ও থাইল্যান্ড সফর করেন।

বিচারপতি ফারাহ মাহবুব
বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ১৯৬৬ সালের ২৭ মে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবার নাম মাহবুবুর রহমান। মায়ের নাম বেগম ফিরোজা বেগম। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি ও এলএলএম পাস করেন।

১৯৯২ সালে তিনি জেলা আদালতে আইন পেশা শুরু করেন। তিনি ১৯৯৪ সালের ১৫ অক্টোবর হাইকোর্টে এবং ২০০২ সালের ১৫ মে আপিল বিভাগে আইনজীবী হিসেবে কাজ শুরু করেন। ২০০৪ সালের ২৩ আগস্ট তিনি হাইকোর্টের অতিরিক্ত বিচারপতি নিযুক্ত হন। ২০০৬ সালে তিনি হাইকোর্ট বিভাগে পূর্ণাঙ্গ বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান।

তিনি ২০১০ সালে দক্ষিণ কোরিয়ায় আন্তর্জাতিক সম্মেলনে যোগ দেন।

বিচারপতি নাইমা হায়দার
বিচারপতি নাইমা হায়দার সাবেক বিচারপতি মরহুম বদরুল হায়দার চৌধুরী ও বেগম আনোয়ারা চৌধুরীর মেয়ে। তিনি ১৯৬২ সালের ১৯ মার্চ জন্মগ্রহণ করেন।

তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে পড়াশুনা করেন। এছাড়া কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, সাউদার্ন বিশ্ববিদ্যালয়, অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়, বার্কেল বিশ্ববিদ্যালয় ও লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে উচ্চতর ডিগ্রি লাভ করেন।

তিনি ১৯৮৯ সালে জেলা আদালতে আইন পেশায় যোগ দেন। ১৯৯৩ সালে হাইকোর্টে আইনজীবী এবং ২০০৪ সালে আপিল বিভাগের আইনজীবী হিসেবে কাজ শুরু করেন।

তিনি ২০০৯ সালের ৬ জুন হাইকোর্টের অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে নিযুক্ত হন। ২০১১ সালের ৬ জুন হাইকোর্টের পূর্ণ বিচারক হিসেবে নিয়োগ পান।

নাইমা হায়দার দেশে-বিদেশে অন্তত ২০টি আন্তর্জাতিক সম্মেলনে যোগ দেন।

বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথ
হাইকোর্ট বিভাগে বিচারপতি হিসেবে ২০১২ সালের ১৮ এপ্রিল নিয়োগ পান কৃষ্ণা দেবনাথ। ২০১০ সালের ১৮ এপ্রিল অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান তিনি।

এর আগে তিনি সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে লেখাপড়া করেন।

বিচারপতি কাশেফা হোসেন
হাইকোর্ট বিভাগে বিচারপতি হিসেবে ২০১৫ সালের ৫ আগস্ট নিয়োগ পান কাশেফা হোসেন। ২০১৩ সালের ৪ আগস্ট অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান তিনি।

এর আগে তিনি ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ক ডিগ্রি লাভ করেন। এছাড়া লন্ডনেও একই বিষয়ে পড়াশুনা করেন।

কৃতজ্ঞতা-জাগো নিউজ

ঢাকায় লাগামহীন ভর্তি ফি : বাচ্চাদের স্কুলে দিতে পারছেন না ম্যাজিস্ট্রেট ইউসুফ

224251all

শাহজালাল বিমানবন্দরের ভ্রাম্যমাণ আদালতের আলোচিত ম্যাজিস্ট্রেট ইউসুফ। বিমানবন্দরে একের পর এক অনিয়ম প্রতিরোধ করে খুব দ্রুতই আলোচনায় আসেন  এই নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। সৎ থাকার কারণে বারবার ঘরের বাইরে হুমকির সম্মুখীন হলেও এবার তিনি  নিজের ব্যক্তিগত জীবনেই পড়েছেন দারুণ সমস্যায়।   টাকার অভাবে নিজের দুই বাচ্চাকে স্কুলে ভর্তি করাতে পারছেন না।   গত ৬ দিন থেকে উত্তরার বিভিন্ন স্কুলে চেষ্টা করেও ভর্তি করাতে পারেননি শাহজালালে যাত্রীদের আস্থার অপর নাম হয়ে ওঠা ইউসুফ। বাধ্য হয়েই সোশ্যাল মিডিয়া ফেসবুকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর দ্বারস্থ হয়েছেন এই সরকারি কর্মকর্তা।

আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নিজের ফেসবুকে লিখেছেন,  মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, অবাক লাগতো, সরকারি অফিসাররা কেন দুর্নীতি করে! আজ আর লাগে না। ক্ষোভ হয়। কেন আসলাম সরকারি চাকরিতে! দেশের সেবা করতে এসেছি, আমার পরিবার সন্তান কি এদেশের বাইরে? ক্লাস সিক্সের এক সন্তানকে ভর্তি করাতে ১৮ হাজার টাকা দিতে হয়, মাসে ২-৩ হাজার টাকা বেতন দিতে হয়। অথচ আপনি আমাকে দিচ্ছেন দুই বাচ্চার জন্য মাসে মাত্র এক হাজার টাকা শিক্ষা ভাতা, অর্থাৎ প্রতি বাচ্চার জন্য মাসে ৫ শ টাকা। এই অবস্থায় আমি কি করতে পারি? ১. দুর্নীতির আশ্রয় নিতে পারি ২. বাচ্চাদের পড়াশোনা বন্ধ করে দিতে পারি।

ম্যাজিস্ট্রেট ইউসুফের সাথে এ বিষয়ে কথা বললে তিনি কালের কণ্ঠকে বলেন, আমাকে ভাড়া বাসায় থাকতে হয়। চাকরি থেকে যে বেতন পাই তার অধিকাংশ টাকাই চলে যায় বাসা ভাড়ায়। এরপরে যে টাকা থাকে সেটা দিয়ে সংসারের ৩০ দিনের খাবারের তালিকা করতে হয়। ভর্তা, আর ডাল দিয়েই চালাতে হয় মাসের অধিকাংশ সময় এই অবস্থায় আমি কীভাবে এতো টাকা দিয়ে বাচ্চাকে পড়াবো?

ইউসুফ বলেন, আমার সরকারি বাসা পাবার কথা। আমার নামে সিভিল এভিয়েশন থেকে একটা বাসাও বরাদ্দ করা হয় কিন্তু বাসা আমাকে বুঝিয়ে দেওয়া হয় নি।   অন্যজন সেই বাসায় থাকে।   আমার নামে বরাদ্দ হলেও আমি বাসা পাই না। সেটাও বড় কথা না। আমাকে এয়ারপোর্টের কাছাকাছি থাকতে হয়। এই এলাকায় সরকারি স্কুল তেমন নেই।   কাল উত্তরা গার্লস স্কুলে বাচ্চাকে ভর্তি করাতে গিয়ে আমি চোখের পানি ধরে রাখতে পারি নি। আমার মতো অনেকেই বাচ্চাদের ভর্তির জন্য পায়ে ধরার মতো অবস্থা। কিন্তু উপায় নেই।

ইউসুফ কালের কণ্ঠকে বলেন, এই অবস্থায় আমি আবেদন করবো আমাকে যেন খাগড়াছড়ি, বান্দরবান বদলি করা হয় যেখানে অন্তত স্কুলে বাচ্চাদের পড়াতে মাসে এতো টাকা লাগবে না। প্রতিবছর ১৮-২২ হাজার টাকা ভর্তি করাতে লাগবে না।

ম্যাজিস্ট্রেট ইউসুফ প্রতিবেদকের সাথে কথা বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়েন। তিনি বলেন আজ আমার বাচ্চারা তার নানি বাসায় চলে গেছে।   গত ৬ দিন থেকে স্কুলে ভর্তি করানোর কথা বলে আসছিল, আর আমিও গোটা উত্তরা এলাকায় আমার দুই বাচ্চাকে ভর্তি করাতে ব্যর্থ হয়ে চলে এসেছি।   আমার বাচ্চারা মেধাবী। উত্তরার আশেপাশে সরকারি স্কুল এভেইলেবল না।   আমি কীভাবে উত্তরার বাইরে নিয়ে গিয়ে তাঁদের ভর্তি করাবো? আমাকে তো অফিসের বিষয়ে ২৪ ঘণ্টা এলার্ট থাকতে হয়।

ইউসুফ বলেন, শুধু আমি নই সারা ঢাকা শহরে হাজার হাজার বাচ্চার অভিভাবক চিন্তিত। এতো টাকা দিয়ে বাচ্চাদের পড়াবেন কী করে।   আমাদের কাছে তো ১৮ হাজার এবং প্রতিমাসে ২-৩ হাজার টাকা অনেক টাকা।

ইউসুফ ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রীর নিকট আবেদন জানিয়ে লিখেছেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। আমি বলবোনা, আমাদের এই গরীব দেশে দুই বাচ্চার জন্য শিক্ষাভাতা ১ হাজার টাকার বেশী হোক। আমরা চাই, সরকারি বেসরকারি স্কুলগুলোর এই লাগামহীন বেতনবৃদ্ধির লাগাম টেনে ধরা হোক, যাতে আমার মত আর কাউকে সন্তানের পড়ালেখা বন্ধের সিদ্ধান্ত না নিতে হয়। ‘

উল্লেখ্য, ম্যাজিস্ট্রেট ইউসুফ শাহজালাল বিমানবন্দরের অনিয়ম দুর্নীতি রোধে কঠোরভাবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন, যার ফলে বিমানবন্দর এলাকায় যাত্রী হয়রানি থেকে শুরু করে সমস্ত অনিয়ম অনেকটাই কমে গেছে। সোশ্যাল মিডিয়াতেও ইউসুফের কর্মকাণ্ড ব্যাপকভাবে প্রশংসিত।   ইউসুফ অসুস্থ শুনে মাত্র ৩ দিনে ১০ লাখ টাকা যোগাড় করে ফেলে ফেসবুক ব্যবহারকারীরা। মাত্র কয়েকদিনে ইউসুফের নামে ফান্ডে জমা হয় ৩০ লাখ টাকা।   পরে অবশ্য বড় কোনো অসুস্থতা পরীক্ষা ধরা না পড়ায় সেই ৩০ লাখ টাকা ব্যয় হয় গরিব দুঃস্থদের চিকিতসায়। যাত্রীদের আস্থার অপর নাম হয়ে ওঠে ইউসুফ।

ABBDrives-260x265

3D Electrical Routing Software – MPDS4

MPDS4-3D-Kabeltrassen-Planung-Softwareref-pdf_87

http://www.cad-schroer.com/products/mpds4/electrical.html

Advertisements