OUR FUN

☞ একটি শিক্ষনীয় গল্প:-
এক গ্রামে একটি কূপ ছিল। তা ছিল
ভূতুরে। গ্রামের লোকজন যখনই পানি তুলতে তাতে বালতি ফেলত প্রতিবারই বালতিশূন্য রশি উঠে আসত।
এমন অদ্ভুত কাণ্ড বারবার ঘটায় গ্রামে ছড়িয়ে পড়ল
যে, কূপটি জীনের বাসা। এখানে ভয়ংকর একটা
জীন বাস করে। কিন্তু এভাবে আর কদিন চলে?
তাদের পানি সংগ্রহ করতে হবে। এর একটা বিহিত করা
দরকার।
:
কিন্তু কূপে নামবে কে? কেউ সহজে রাজি হচ্ছে না।
এমন সময় এক যুবক কূপে নামতে রাজি হলো।
সে বলল, আমি কূপে নামব। আমার কোমরে রশি
বেঁধে নামিয়ে দিবেন। তবে শর্ত হল রশির অপর প্রান্তে অবশ্যই আপনাদের সাথে আমার ভাইকে থাকতে হবে।
:
গাঁয়ের লোকজন তার শর্ত শুনে বেশ আশ্চর্য হলো। গ্রামের শক্তিশালী সুঠাম এতগুলো মানুষ থাকতে তার ভাইকে লাগবে কেন?
প্রথমে তারা যুবককে বিষয়টা বোঝাতে চেষ্টা করল। তবুও তার এক কথা অবশ্যই তার ভাইকে সাথে
রাখতে হবে। তার ভাইকে খুঁজে আনা হলো।
সবাই মিলে যুবককে কূপে নামিয়ে দিল।
:
ভেতরে গিয়ে সে দেখল, কূপে একটি বানর।
এই শয়তান বানরটিই বালতি রেখে দিত। যুবক
বানরটিকে ধরে কাঁধে বসিয়ে রশি টানার নির্দেশ দিল।
বানরটি ছিল যুবকের কাঁধে। এজন্য স্বাভাবিকভাবেই
সর্বপ্রথম দৃষ্টিগোচর হল বানরের চেহারা। হঠাৎ করে ভূতদর্শন চেহারা দেখে সবাই মনে করল, জীনটা উঠে আসছে। ওমনি রশি ফেলে সব দে ছুট। কিন্তু একজন রশি ছাড়ল না। তার প্রিয় ভাইটি রশি ছাড়ল না। বহুকষ্টে ভাইকে টেনে তুলল উপরে। ফলে তার ভাই নিশ্চিত মৃত্যুর হাত থেকে বেঁচে গেল।
:
তখন সবাই বুঝতে পারল কেন সে ভাইকে রশি ধরার শর্ত দিয়েছিল।
কারণ, পৃথিবীতে সবাই বিপদের সময় দূরে সরে
গেলেও ভাই সরবে না।
—————————————————-

শিক্ষা: হযরত মুসা (আ.) কে আল্লাহ আপন ভাইয়ের
দ্বারা শক্তিশালী করেছিলেন।
এতো আত্মীয়-স্বজনের মাঝে আল্লাহ ভাইকে নির্বাচন করেছেন ভাইয়ের সহযোগিতার জন্য। একমাত্র ভাইই পারে ভাইকে চরম বিপদেও সাহায্য করতে। অন্য কেউ নয়।
:
অপর আয়াতে আল্লাহ বলেছেন, শিশু মুসা (আ.) কে দেখে রাখার জন্য বোনকে পাঠিয়েছিলেন তাঁর মা।
পৃথিবীতে ছোট ভাই-বোনকে দেখে রাখার জন্য বোনের মতো কেউ নেই। সেই পারে মায়ের মতো করে ছোট
ভাইবোনকে দেখে রাখতে।
:
সুতরাং মনে রাখবেন, এ-দুনিয়ায় বাবা-মার পর সবচেয়ে আপন ও নিঃস্বার্থ মানুষ হলো আপনার
ভাই-বোন। সুতরাং তাদের সাথে উত্তম আচরণ
করুন। তাদেরকে মূল্যায়ণ করুন। ঝগড়া বিবাদ হলে
তা মিটিয়ে নিন। সর্বপোরি তাদের সাথে সুসম্পর্ক
বজায় রাখুন। কারণ বিপাদাপদে তাদেরকেই পাশে
পাবেন, অন্য কাউকে নয়।

 

 

15085692_1777522019180243_3287956238108190538_n

এক খৃষ্টান বাদশাহ চারটি প্রশ্ন
লিখে ওমর (রাঃ) এর কাছে
পাঠালেন এবং
আসমানী কিতাবের আলোকে
উত্তর চাইলেন।
১ম প্রশ্নঃ একই মায়ের পেট হতে
দু’টি বাচ্চা একই দিনে একই সময় জন্ম
গ্রহন করেছে
এবং একই দিনে ইন্তেকাল করেছে
তবে তাদের একজন অপরজন থেকে
১০০ বছরের বড় ছিলো। তারা দুইজন
কে? কিভাবে তা হয়েছে?
২য় প্রশ্নঃ পৃথিবীর কোন স্থানে
সূর্যের আলো শুধুমাত্র একবার
পড়েছে।
কেয়ামত পর্যন্ত আর কখনো সূর্যের
আলো সেখানে পড়বে না?.
৩য় প্রশ্নঃ সে কয়েদী কে, যার
কয়েদ খানায় শ্বাস নেওয়ার
অনুমতি নেই আর সে শ্বাস নেওয়া
ছাড়াই জীবিত থাকে?
৪র্থ প্রশ্নঃ সেটি কোন কবর, যার
বাসিন্দা জীবিত ছিল এবং কবর ও
জীবিত ছিল আর সে কবর তার
বাসিন্দাকে নিয়ে ঘোরাফেরা
করেছে এবং কবর থেকেতার
বাসিন্দা জীবিত বের হয়ে
দীর্ঘকাল পৃথিবীতে জীবিত
ছিল?
হযরত ওমর (রাঃ) হযরত আব্দুল্লাহ
ইবনে আব্বাস (রাঃ) কে ডাকলেন
এবংউত্তর গুলো লিখে দিতে
বললেন। ইবনে আব্বাস (রাঃ)
উত্তরগুলো লেখেন
১ম উত্তরঃ দুই ভাই ছিলেন হযরত
ওযায়ের (আঃ) এবং ওযায়েয
(আঃ). তারা একই দিনে জন্ম এবং
একই দিনেইন্তেকাল করা সত্বেও
ওযায়েয (আঃ) ওযায়ের (আঃ)
থেকে ১০০ বছরের বড় হওয়ার কারন
হল, মানুষকে আল্লাহ তায়ালা মৃত্যুর
পর আবার কিভাবে জীবিত করবেন?
হযরত ওযায়ের (আঃ) তা দেখতে
চেয়েছিলেন। ফলে আল্লাহ
তাকে ১০০ বছর যাবত মৃত্যু অবস্থায়
রাখেন এরপর তাঁকে জীবিত করেন।
যার কারনে দুই ভাইয়ের বয়সের
মাঝে ১০০ বছর ব্যবধান হয়ে যায়।
২য় উত্তরঃ হযরত মুসা (আঃ) এর
মু’জিযার কারনে বাহরে কুলযুম তথা
লোহিত সাগরের উপর রাস্তা হয়ে
যায় আর সেখানে সূর্যের আলো
পৃথিবীর ইতিহাসে একবার
পড়েছে এবং কেয়ামত পর্যন্ত আর
পড়বে না।.
৩য় উত্তরঃ যে কয়েদী শ্বাস
নেওয়া ছাড়া জীবিত থাকে, সে
কয়েদী হল মায়ের পেটের বাচ্চা,
যে নিজ মায়ের পেটে কয়েদ
(বন্দী) থাকে।.
৪র্থ উত্তরঃ যে কবরের বাসিন্দা
জীবিত এবংকবর ও জীবিত ছিলো,
সে কবরের বাসিন্দা হল হযরত ইউনুস
(আঃ) আর কবর হল ইউনুস (আঃ) যে
মাছের পেটেছিলেন সে মাছ। আর
মাছটি ইউনুস (আঃ) কে নিয়ে
ঘোরাফেরাকরেছে।
মাছের পেট থেকে বের হয়ে
আসার পর ইউনুস (আঃ) অনেক দিন
জীবিত ছিলেন। এরপর ইন্তেকাল
করেন।

14440653_644508055727259_2221101406050289657_n

বাংলা স্যার ক্লাসে এসে বল্লো
বাড়ি থেকে কবিতা লিখে আনতে বলেছিলাম
সবাই এনেছো
বল্টু দাড়িয়ে বল্লো হ্যা স্যার বলবো?
স্যার খুসি হয়ে
হ্যা বলো
বল্টু শুরু করলো…..
.
ছাগলের লেজ ছোট ছোট
কুকুরের লেজ বাঁকা,
…….ঐ মেয়ে তোর চেহারাটা দারুণ ঝাঁকানাকা !
.
মোটরসাইকেল দুই চাক্কা
ভ্যানের চাক্কা তিন,
বউয়ের জ্বালায় সকল স্বামীর জীবন কেরোসিন !
.
বয়লার মুরগীর দাম কম
দেশী মুরগীর বেশি,
গয়না-শাড়ী কিনে
দিলে বউরা অনেক খুশি !
.
কিল মারে পিঠেতে
আর ঘুষি মারে নাকে,
পার্লারেতে মেয়েরা
মুখে ময়দা-সুজি মাখে !
.
বিড়াল ডাকে ম্যাঁও ম্যাঁও
কুকুর ডাকে ঘেউ,
মেয়েদের মন বোঝার
মতো নাই রে দুনিয়ায় কেউ !
.
সাপে কামড়ায় পায়েতে
আর মশা কামড়ায় গালে,
কল না দিয়ে মেয়েরা থাকে মিসকল মারার তালে।
স্যার কবিতা শুনে বেহুশ..

14369884_753020994839157_693027461544556770_n.jpg

 

14449003_1218869611519038_2277856458141046486_n

সকাল বেলা ২০০ টাকার ফ্লেক্সি ভুল নাম্বারে
চইলা গেলো…..!
ফোনের অবশিষ্ট ৮ টাকা ১৭ পয়সা বরাদ্দ কল দিলাম
ভুল শোধরানোর জন্য…….!
ফোন রিসিভ করল একজন সুকন্ঠীবালিকা মনে
হলো….!!!
২০০ টাকার কষ্ট তখন লাখ টাকার লাভে পরিনত
হওয়ার উপক্রম। হাই হ্যালো এর পরে শুরুটা আমিই
করলাম।
—ভুলে চলে যাওয়া টাকাটা কি ফেরত পাওয়া
যাবে…??
—ভুলে চলে যাওয়া জিনিসটা ভুলে গেলেই ভাল,
তাইনা….?
—ভাবছিলাম ভুলেই যাবো , নিয়তি আপনার কাছেই
নিয়ে যাবে , জানা ছিলো না (কিঞ্চিৎ ফ্লার্ট)
—(মৃদু হাসির সাথে) যদি ফেরত না দেই….??
(আমাকে স্লো বল দিচ্ছে , ছক্কা মারতে হবে )
—তবে আপনাকে ঋণী রাখবো না, প্রতিদিন হাসি
শোনানোর পরিবর্তে সুদটা মওকুফ করা যাবে।
—হাসির বিনিময়ে পুরো আসলটা মাফ করা যায়
না…?
(এইবার বাউন্স)
—যদি হাসিটা চোখে দেখতে পেতুম, তবে না হয়
আর্জি বিবেচনায় রাখতাম (… আমিও কম কিসে?)
—২০০ টাকার বিনিময়ে চাওয়াটা বেশী হয়ে যাচ্ছে
না….?? (অফ স্টাম্পের বাইরের বল, দেখেশুনে
খেলতে হবে)
—একটু আগে দু’শ টাকা ছিলো, হাসিটা শোনার পর
থেকে ওটা লাখ টাকা পার হলো বলে (কাভার
ড্রাইভ দিলাম)
—(হা হা হা) উফফফ, আপনি পারেন ও বটে। বড্ড
ফাজিল তো আপনি…. !!!
(ব্যাটে বলে লেগেছে,ছক্কার সম্ভাবনা)
—মনে হচ্ছে আপনি ব্যাস্ত, পরে কথা বলার জন্য
আমার ফোন মেমরী খরচ করে নাম্বারটা সেভ করে
রাখবো, যদি অনুমতি দেন আর কি….!!!
(ফাইনাল শট, মিড অফের উপর দিয়ে)
—ও হো, আচ্ছা আমি আসলেই একটু ব্যাস্ত। বাচ্চা
দুইটা কাঁদছে। নেন আমার হাজব্যান্ড এর সাথে কথা
বলুন। ২০০ টাকার ডিলটা সেই ক্লিয়ার করুক…..!!!!!!
পরের কাহিনী শুধুই ইতিহাস…..!
এরপর এক মধ্যবয়স্ক বোলারের ঝাঁঝালো কন্ঠে
ভেঙ্গে গেলো তরুনের উইকেট….!
২০০ টাকার সাথে ৮ টাকা ১৭ পয়সা গচ্ছা যাওয়ার
পরে তরুন ফাকা চোখে আকাশে তাকালো।
আহ ! সব ফাকা ফাকা লাগতেছে…..!!
মোবাইল ফাকা…..!
জীবনডা ফাকা…..!

14344963_1234257563315846_7929145399165144406_n

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s